নিজস্ব প্রতিনিধি : স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে পুরুষদের পাশাপাশি প্রাণ দিয়েছিল নারীরাও। দাউ দাউ করে বিদ্রোহের আগুন জ্বলে উঠেছিল নারীদের মধ্যেও।ভারতের নারীদের আত্মত্যাগ ভারতীয় ইতিহাসের ইতিহাসে একটি অন্যতম স্থান দখল করে আছে।এদেঁর মধ্যে বেশ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হল।
ঝাঁসির রানি লক্ষ্মী বাঈ : ঝাঁসির রানী ১৮৫৭ সালের ভারতীয় বিদ্রোহের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ছিলেন।ব্রিটিশদের সঙ্গে জীবনের শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত লড়েছিলেন তিনি। তিনি ছিলেন একজন সাহসী দেশপ্রেমী নারী।(জন্ম ১৯ নভেম্বর ১৮২৮, মৃত্যু ১৮ জুন ১৮৫৮)
সরোজিনী নাইডু : তিনি ছিলেন একাধারে বিশিষ্ট কবি, প্রখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং একজন মহান বক্তা। যিনি ‘নাইটিঙ্গেল অফ ইন্ডিয়া’ নামেও পরিচিত পেয়েছিলেন।তিনি ১৯২৫ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি খিলাফত আন্দোলন এবং ভারত ছাড়ো আন্দোলনের পক্ষে প্রচার করেছিলেন।(জন্ম ১৮৭৯, ১৩ই ফেব্রুয়ারি,মৃত্যু ১৯৯৪ সালের ২ মার্চ)
অ্যানি বেসান্ত : ১৯১৬ সালে তিনি ভারতীয় স্বরাষ্ট্র শাসন আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেন।তিনি বেনারসে সেন্ট্রাল হিন্দু কলেজ উচ্চ বিদ্যালয়(১৯১৩)সহ বেশ কয়েকটি স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। (জন্ম ১৮৪৭ সালের ১ অক্টোবর, মৃত্যু ১৯৩৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর)
অরুণা আসফ আলী : তিনি স্বাধীনতা আন্দোলনের ‘গ্র্যান্ড ওল্ড লেডি’ নামে পরিচিত।তিনি লবণ সত্যাগ্রহের সময় প্রকাশ্য মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন।ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় বোম্বেতে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। (জন্ম- ১৯০৯ সাল ১৬ জুলাই, মৃত্যু- ১৯৯৬)
ম্যাডাম ভিকাজি কামা : তিনি জার্মানিতে আন্তর্জাতিক সমাজতান্ত্রিক সম্মেলনে প্রথম ভারতীয় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।(জন্ম ২৪ সেপ্টেম্বর ১৮৬১, মৃত্যু ১৯৩৬)
বেগম হজরত মহল : ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় (1857 -58) প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন বেগম হজরত মহল। তিনি আওয়াধের বেগম নামেও পরিচিত ছিলেন। এছাড়াও তিনি নানা সাহেব, তাঁতিয়া টোপি প্রভৃতি ব্যক্তির সঙ্গে বিদ্রোহে কাজ করেছিলেন।(জন্ম ১৮২০, মৃত্যু ১৮৭৯)
এছাড়াও ঊষা মেহতা, কস্তুরবা গান্ধী, কমলা নেহেরু, বিজয়া লক্ষ্মী পণ্ডিত স্বাধীনতা আন্দোলনে প্রতক্ষ্যভাবে জড়িত ছিলেন।