নিজস্ব প্রতিনিধি : জন্মাষ্টমীর কথা উঠলেই ছোট্ট নাড়ুগোপালের মুখটাই চোখের সামনে ভেসে ওঠে। মথুরা ও বৃন্দাবন-সহ গোটা দেশ জুড়ে পালন করা হয় জন্মাষ্টমী। পুরাণ মতে, ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষ অষ্টমীতে জন্ম হেয়েছিল শ্রীকৃষ্ণের। দুষ্টে দমন ও শিষ্টের পালন করতে জন্ম হয়েছিল শ্রীকৃষ্ণের। তাই এই দিনটি খুব নিয়ম মেনে পালন করা হয়।
হিন্দু ধর্মে জন্মাষ্টমী তিথি ঘিরে বিশেষ রীতি পালন করা হয়ে থাকে। হিন্দু ধর্মের কাছে খুবই পুণ্যের তিথি। শনিবার দেশ জুড়ে পালন হবে জন্মাষ্টমী। ছোট্ট গোপালের জন্য পোশাক কেনা থেকে শুরু করে তাঁর সাজ সজ্জা, তাঁর ভোগের ব্যবস্থা করা শুরু হয়ে যায় অনেক আগে থেকেই। গোপালকে সিংহাসনে বসানো থেকে শুরু করে তার সাজসজ্জার ব্যবস্থা আগে থেকেই করতে হয়। পাশাপাশি ঘর সুন্দর করে সাজিয়ে তুলতে হয়। জন্মাষ্টমীর আগে কিভাবে সাজিয়ে তুলবেন সেটাই জেনে নিন।
বাস্তু শাস্ত্র মেনে গোপালের বসার জায়গা সুন্দর করে সাজিয়ে তুলতে হবে। কোনদিকে গোপালের মুখ বসাবেন, কোন দিকে গোপালকে বসার জায়গা করে দেবেন সবটাই বাস্তুশাস্ত্র মেনে করা উচিত। গোপালের বসার জায়গা অত্যন্ত টাটকা ফুল দিয়ে সাজিয়ে তুলতে হবে। আবার অনেকেই রঙিন কাগজ দিয়ে সাজিয়ে তোলেন। ছোট ছোট ময়ূরের পালক দিয়ে মুড়িয়ে ফেলতে পারেন গোপালের বসার পালঙ্ক।
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বাড়ির দালান অত্যন্ত সুন্দর করে সাজিয়ে তুলতে হবে। ঘরের মাঝে আবির দিয়ে আলপোনা বানাতে পারেন। ফুল দিয়ে ঘর সাজিয়ে জন্মাষ্টমী পালন করতে পারেন। তবে এই সমস্ত কাজ করতে গেলে অনেক ঝক্কি পোহাতে হয়। সেই সমস্ত বাদ দিয়ে তাজা ফুল দিয়ে ফুলদানি সাজিয়ে তুলুন। পারলে ফুলের তোড়া দিয়ে সাজিয়ে তুলুন।
ফুল ছাড়াও এই উৎসবের সময় ছোট্ট বারান্দা বা গোপালের বসার জায়গা আলো দিয়ে মুড়ে ফেলতে পারেন। ছোট ছোট আলো দিয়ে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলতে পারেন। পাশাপাশি ঘরে এই সময়ে সুগন্ধি মোমবাতি দিয়ে সাজিয়ে তুলতে পারেন। এর ফলে ঘরে পজেটিভ এনার্জি বজায় থাকে।