আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানে ১৪০টি যুদ্ধবিমান দিয়ে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইজরায়েলি বাহিনী। ‘কয়েক মাস ধরে ইরানের ধারাবাহিক হামলার’ জবাব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইজরায়েল। অন্যদিকে এই নিয়ে আমেরিকার হোয়াইট হাউজের তরফে বলা হয়েছে ‘আত্মরক্ষার’ অংশ হিসেবে ইরানে হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। কিন্তু এই হামলায় কোনভাবেই জড়িত নয় আমেরিকা।
ইরানে হামলার বিষয়ে আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের মুখপাত্র সেন সাভেট জানিয়েছেন, ‘আত্মরক্ষার জন্য ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় সুনির্দিষ্টভাবে হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েল। এটি ১ অক্টোবর ইরানের হামলার জবাব।’ অন্যদিকে ইরানে হামলা নিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর পেন্টাগনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘ইরানে চালানো ইজরায়েলি বিমান হামলার সঙ্গে তাঁরা কোনভাবেই জড়িত নেই। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বাইডেন এই ঘটনা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
অন্যদিকে ইরানের পক্ষ থেকেও এই হামলায় ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করেছে। ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, তেহরান, খুজেস্তান ও ইলাম প্রদেশে হামলা চালানো হয়েছে। তবে এতে সীমিত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কিছু স্থানে হামলায় সীমিত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
এদিকে ইজরায়েল সরকারের পক্ষ থেকে একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানে ইজরায়েল যে হামলা চালাচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করছেন। ভিডিয়োটিতে দেখা যাচ্ছে, হামলার সময় ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট বাংকারে উপস্থিত ছিলেন।
রাজধানী তেহরানে শনিবার সকাল থেকে আকাশপথে একাধিক হামলা করা হয়েছে। এই হামলার দায় স্বীকার করে ইজরায়েল জানিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে ইরানের লাগাতার হামলার জবাব দিতে শুরু করেছে তারা। তাঁদের প্রাথমিক লক্ষ্য ইরানের সামরিক ঘাঁটি। এছাড়া, ইরাক এবং সিরিয়াতেও একাধিক বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে তেল আভিভ।
আরও পড়ুন : বাংকারে বসে ইরানে হামলার নির্দেশ নেতানিয়াহু ও গ্যালান্টের