আন্তর্জাতিক ডেস্ক : উত্তর কোরিয়া এবং রাশিয়া তারা সম্মত হয়েছে একে অপরকে সাহায্য করবে। সেনাবাহিনী দিয়ে সামরিক একে অপরকে সাহায্য করতে প্রস্তুত তাঁরা। এটাই তাঁদের চুক্তির একটা অংশ। বৃহস্পতিবার (২০ই জুন) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, উত্তর কোরিয়া এবং রাশিয়ার মধ্যে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে তাতে দুই পক্ষই যদি সশস্ত্র আগ্রাসনের সম্মুখীন হয়, তবে একে অপরকে সামরিক সহায়তা দেবে।শুধু তাই নয় পুতিন এবং কিমের মধ্যে যে চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে, তাতে দুই দেশ তৃতীয় কোনো দেশের সঙ্গে কোনো চুক্তি স্বাক্ষর করবে না।
অংশীদারিত্ব চুক্তি সাক্ষর করার বুধবার (১৯ই জুন) পিয়ংইয়ংয়তে আগে পুতিন এবং কিমের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। দুজনের মধ্যে আলোচনা শেষে এক সিদ্ধান্তে আসে। এরপরই এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
বৃহস্পতিবার (২০ই জুন) কোরিয়ার এক সংবাদমাধ্যম চুক্তির একটি অংশ প্রকাশ করেছে, যার মধ্যে পারমাণবিক শক্তি, মহাকাশ অনুসন্ধান, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়ে সহযোগিতার কথাও উল্লেখ রয়েছে।
অন্যদিকে এই সফর নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করছে যুক্তরাষ্ট্র সহ অনান্য দেশগুলি। তাঁরা আশঙ্কা করছে রাশিয়াকে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও কামানের গোলা দেবে উত্তর কোরিয়া। অপরদিকে উত্তর কোরিয়াকেও পরমাণু অস্ত্র প্রকল্পে সাহায্য করবে রাশিয়া। এই সফর নিয়ে পুতিন আগেই সতর্ক করেছিল, তাঁরা পশ্চিমা দেশের নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়া যৌথভাবে পশ্চিমা দেশের নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেন। তবে এই চুক্তিতে রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্তিশালি হল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।