আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধ নিয়ে যখন আলোচনা তুঙ্গে, তখন শান্তি আলোচনা নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করতে হোয়াইট হাউসে যান জেলেনস্কি।ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় শুক্রবার হোয়াইট হাউসে দুই নেতা বৈঠকে বসেন। এই সময় বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান দুজন। ট্রাম্প ও জেলেনস্কির মধ্যে মত পার্থক্য একসময় চিৎকার-চেঁচামেচির পর্যায়ে চলে যায়। যা সামাজিক মাধ্যমেও নিমেষে ভাইরাল হয়ে যায়। তা নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে গোটা বিশ্বে। শুধু ট্রাম্প নয়, জেলেনস্কির সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সও।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে জেলেনস্কির উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের পর হোয়াইট হাউজের তরফে জানানো হয়, এই সংবাদ সম্মেলন বাতিল করার কথা।এরপর জেলেনস্কি ও তাঁর সঙ্গে থাকা ইউক্রেনের অন্য কর্মকর্তাদের হোয়াইট হাউস থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়। পরে জানা যায়, হোয়াইট হাউজের তরফে জেলেনস্কিকে চলে যেতে বলা হয়েছিল। জেলেনস্কিও কিছু না বলে চুপচাপ বেরিয়ে যায়।
তবে জেলেনস্কি ও তার দেশের প্রতিনিধিদের জন্য হোয়াইট হাউজে থরে থরে সাজানো ছিল সুস্বাদু সব খাবার। ইউক্রেনীয় প্রতিনিধিদলের অভিযোগ বৈঠক চলাকালীন তারা কাছের একটি ঘরে অপেক্ষা করছিল।কিন্তু তাদের মধ্যাহ্নভোজের বৈঠকে আমন্ত্রণই জানানো হয়নি।হোয়াইট হাউজে তাদের জন্য প্রস্তুত খাবার, যেমন সবুজ সাল্যাড, রোজমেরি রোস্টেড চিকেন এবং ক্রিম ব্রুলি থেকে শুরু করে নন-ভেজ ও ভেজের নানান আইটেম। শেষ পর্যন্ত এসব না খেয়েই বেরিয়ে যেতে হয়েছিল ইউক্রেনের প্রতিনিধিদের।
প্রায় ৪০ মিনিটের বৈঠকে আচমকা ইতি টানেন, চেয়ার ছেড়ে উঠে পড়েন ট্রাম্প। পরে সমাজমাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, শান্তি চাইলে জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনার রাস্তা এখনও খোলা আছে। নিজের ব্যবহারের জন্য ক্ষমা চাইতে রাজি হননি জেলেনস্কি। আমেরিকার সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, তিনি ক্ষমা চাইবেন না। যদি জেলেনস্কি চান তবে ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্কের মেরামত সম্ভব।