আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গাজায় হেপাটাইটিসে আক্রান্ত হয়েছে ৭০ হাজারের বেশি মানুষ।গাজার হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার কারণে এত বেশি মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গাজার সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, গত বছর থেকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গাজা উপত্যকার বিভিন্ন অংশে বাস্তুচ্যুত হয়েছে ১ দশমিক ৭ মিলিয়নের বেশি মানুষ। প্রায় ১০ মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে গাজার কোন স্থানই নিরাপদ নয়।গাজার প্রত্যেক কটা স্থান ইজরায়েলি বাহিনীর হামলায় ধ্বংস হয়েছে। মসজিদ,বাস ভবন থেকে শুরু করে স্কুল এমনকী হাসপাতালও বাদ যায় নি ইজরায়েলের হাত থেকে।
নেই খাদ্য ব্যবস্থা, নেই জল। চিকিৎসার অভাবে ভুগছে হাজার হাজার মানুষ। কোনরকমে তাঁবু খাটিয়ে একসঙ্গে গাদাগাদি করে থাকছে বহু মানুষ। এক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সেখানকার বাস্তুচ্যুত পরিস্থিতির কারণে সংক্রামক রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।এখন পর্যন্ত ১৭ লক্ষ্যের বেশি মানুষ বিভিন্ন সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়েছে। শুধু তাই নয় দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ্য মানুষ মৃত্যুঝুঁকিতে রয়েছে। একদিকে ইজরায়েলি বাহিনী গাজায় ওষুধ প্রবেশে বাধা দিচ্ছে অন্যদিকে উচ্চ ঝুঁকিতে লক্ষ লক্ষ মানুষ। অনেকে বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছে।
গাজায় লাশের সারি বেড়েই চলেছে।এখনও গাজায় হামলা বন্ধ করে নি ইজরায়েল। ইজরায়েলি হামলায় শিশু মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পঙ্গুত্বের সংখ্যা বেড়েছে ব্যাপকভাবে। ত্রাণ সহায়তাকারী সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ইজরায়েলি আগ্রাসনের কারণে গাজাবাসীর কাছে ত্রাণ সহায়তাও পৌঁছেছে না। তীব্র খিদের জ্বালায় ছটফট করছে গাজার নিরীহ শিশুরা। শুধু শিশু নয় নারী, পুরুষ এবং বয়স্ক লোকজনদেরও অনাহারে থাকতে হচ্ছে।
অন্যদিকে হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে আর্জেন্টিনা। এই গোষ্ঠীর সব আর্থিক দিকগুলোকে দমানোর নির্দেশ দিয়েছে দেশটি।মিত্র হিসেবে ইজরায়েলের পাশে এবার আর্জেন্টিনা।