Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

নীরব ইতিহাস, পারমাণবিক বোমার আঘাতে আজও বিধ্বস্ত পৃথিবীর বহু স্থান

Share:

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চালানো পারমাণবিক হামলা ধ্বংস করে দিয়েছিল জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরকে। সেই নৃশংস সময়ের খেসারত আজও দিয়ে যাচ্ছে জাপান। আজও হিরোশিমা, নাগাসাকিতে জন্মগ্রহণ করে বিকলাঙ্গ শিশু। ইতিহাস শুধু এই তথ্যই মনে রেখেছে, কারণ এইটুকু তথ্যই সামনে এসেছে। জানেন কি, শুধু হিরোশিমা-নাগাসাকি নয়, পারমাণবিক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে বিশ্বের আরও বেশ কিছু স্থানে। সে সম্পর্কে ইতিহাস নীরব। পারমাণবিক বোমাগুলি এক অজানা স্থানে আজও রয়ে গিয়েছে। এ সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত কেউ কোনও সূত্র খুঁজে পায়নি।

সোভিয়েত ইউনিয়ন তখনও সোভিয়েত রাশিয়া হয়নি, সেই সময় বিশ্ব ভাগ হয়ে গিয়েছিল পুঁজিবাদ ও সাম্যবাদে। পৃথিবী জুড়ে চলেছিল ঠান্ডা লড়াই। ঠান্ডা লড়াই হল এমন এক পরিস্থিতি যখন ক্রমাগত বাক যুদ্ধ চলে, শুধু ময়দানে যুদ্ধ হয় না। সেই সময় সারা বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের মতো পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। আমেরিকা ও রাশিয়ার মতো শক্তিরা যে কোনও সময় একে অপরকে পারমাণবিক অস্ত্র দ্বারা আক্রমণ করতে পারত। তাই পারমাণবিক অস্ত্রে ভরপুর বোমারু বিমান আকাশ জুড়ে ঘুরে বেড়াত।

কখনও কখনও কিছু বিমানে দুর্ঘটনাক্রমে আগুন লেগে যেতো। দুর্ঘটনার ফলেই হোক, বা বিমানে ত্রুটির কারণেই হোক- আগুন লেগে গেলে পারমাণবিক অস্ত্রগুলি ত্যাগ করতে হত।

১৯৫০ সাল থেকে কমপক্ষে ৩২টি এরকম দুর্ঘটনা ঘটেছিল। তার মধ্যে একটি পারমাণবিক বোমা হয় হারিয়ে গিয়েছিল, নয় পড়ে গিয়ে বিস্ফারিত হয়েছিল। ইতিহাস কোনওদিনই এই দুর্ঘটনাগুলিকে নিশ্চিত করতে পারেনি। কারণ যেসব দেশে এগুলি ঘটেছিল, তারা আশঙ্কা করেছিল ভবিষ্যৎ পৃথিবী তাদের দোষারোপ করবে। সেই ভয়েই সমস্ত কিছু অস্বীকার করে তারা।

এই পারমাণবিক দুর্ঘটনাগুলি ব্রোকেন অ্যারো (broken arrow) নামে পরিচিত। মনে করা হয় যে শুধুমাত্র মার্কিন সীমান্ত এলাকায় এই ধরণের কয়েক ডজন বোমা রয়েছে, যেখানে পারমাণবিক বোমা বা অস্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অথবা বিস্ফারিত হয়েছে।

১৯৫৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি জর্জিয়ার টাইবি দ্বীপের কাছে মার্ক ১৫ থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা ফেলা হয়। বিমানের ওজন কমানোর জন্য এটি করা হয়েছিল। এই বিমানটি পারমাণবিক বোমা নিয়ে আকাশে উড়ছিল। কারিগরি কারণে নিরাপদ অবতরণের জন্য ওজন কমানো প্রয়োজন ছিল। সেই কারণেই পাইলটকে সেখানে পারমাণবিক বোমা ফেলতে হয়েছিল।

পরে বহু তল্লাশি চালিয়েও সেই বোমা আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। বহু গোপন অভিযান চালিয়েও বোমার দেখা মেলেনি। অবশেষে অনুসন্ধান অভিযান বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং এটি চিরতরে হারিয়ে গিয়েছে বলে মনে করা হয়।

১৯৬৫ সালের ৫ ডিসেম্বর জাপানের উপকূলে ফিলিপাইন সাগরে একটি B43 থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা পড়ে। বলা হয় যে বোমারু বিমান, পাইলট এবং পারমাণবিক অস্ত্র সহ বিমানটিকে আর কখনও দেখা যায়নি। এটি ছিল একটি সক্রিয় বোমা যেটি সমুদ্রে পড়ে গিয়েছিল। এর সঙ্গেই একজন আমেরিকান নৌবাহিনীর কর্মকর্তা, লেফটেন্যান্ট ডগলাস ওয়েবস্টারও নিখোঁজ হয়ে যান। মাটিতে কেবল তার হেলমেটটি পাওয়া গিয়েছিল। বিপুল অর্থ ব্যয় করে প্রচুর তল্লাশি অভিযান চালিয়েও বোমাটি কোথাও পাওয়া যায়নি।

১৯৬৮ সালের ২২ মে গ্রিনল্যান্ডের থুলে বিমানঘাঁটির কাছে একটি B28FI থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা হারিয়ে যায়। মনে করা হয় বিমানের কেবিনে আগুন লাগার কারণে পাইলট ও ক্রুদের বেরিয়ে আসতে হয়েছিল। যার ফলে বিমানটি পারমাণবিক পেলোড সহ ভেঙে পড়ে। সেটির খোঁজও আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

প্যালেস্তাইনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দিল আমেরিকা

ইউক্রেনে ৬২৯ মিসাইল-ড্রোন দিয়ে ভয়াবহ হামলা চালাল রাশিয়া, নিহত ১৪

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন থেকে পালিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে আমেরিকায় গিয়ে খুন তরুণী

রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনায় ভয়াবহ হামলা ইউক্রেনের, সোনার দামে বিকোচ্ছে পেট্রোল

‘শান্তি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে রাশিয়ার বিপদ বাড়বে’, হুঁশিয়ারি ম্যাক্রোঁর

সমঝোতায় না আসা পর্যন্ত কোনও চুক্তি নয়, বৈঠক থেকে বেরিয়ে জানালেন ট্রাম্প

মার্কিন সেনা দিবস উদযাপনে আমন্ত্রণ পেয়ে ওয়াশিংটন যাচ্ছেন আসিম মুনির

যাত্রী নিয়ে সাইবেরিয়ার গহীন অরণ্যে নিখোঁজ বিমান, মস্কো জুড়ে তোলপাড়

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00