নিজস্ব প্রতিনিধি : সদ্যই নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের(আইসিসি)গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এরইমধ্যে অর্থপূর্ণ ইঙ্গিত দিল ডাউনিং স্ট্রিট (ব্রিটিশ প্রশাসনিক কার্যালয়)। ডাউনিং স্ট্রিটের তরফে জানানো হল, ব্রিটেনে ঢুকলে গ্রেপ্তার হতে পারেন নেতানিয়াহু।
এই নিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ডাউনিং স্ট্রিটের এক মুখপাত্রকে প্রশ্ন করা হয়, নেতানিয়াহু যদি ব্রিটেনে যান, তবে তিনি গ্রেপ্তার হবেন কি না। তবে এই নিয়ে পরিস্কার কোন মন্তব্য করে নি তা ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ। এই নিয়ে ডাউনিং স্ট্রিটের ওই মুখপাত্র জানিয়েছেন,‘আপাতত নেতানিয়াহুর ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে সরকার তাঁর ‘আইনি বাধ্যবাধকতা’ পূরণ করবে।’ অর্থাৎ এর মধ্য দিয়ে পরোক্ষভাবে ব্রিটিশ প্রশাসনিক কার্যালয় বুঝিয়ে দিয়েছে ব্রিটেন সহ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের অন্য সদস্যদেশগুলো চুক্তি অনুযায়ী এই আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করতে বাধ্য।
এদিকে নেতানিয়াহুর গ্রেপ্তারি নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের মুখপাত্র। এই নিয়ে তিনি বলেন, তিনি ‘অনুমানমূলক’ বিষয় নিয়ে মন্তব্য করতে চান না।
উল্লেখ্য, দেশটির (ব্রিটেনের) ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট অ্যাক্ট ২০০১ অনুযায়ী, সর্বোচ্চ এই আদালত যদি কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন, তাহলে একজন মনোনীত মন্ত্রী অনুরোধটি একজন উপযুক্ত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তার কাছে পাঠান। ওই বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা পরোয়ানাটি ব্রিটেনে কার্যকর করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন।
আইসিসির নেতানিয়াহুর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার পর এখনও পর্যন্ত ব্রিটেনের আইনি প্রক্রিয়ায় কোন মন্ত্রীকে নিযুক্ত করা হবে, সে বিষয় কিছু জানা যায় নি। এখন দেখার বিষয় আইসিসির নির্দেশ কতটা পালন করবে ব্রিটেন।