নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়া দিল্লি: দীর্ঘদিন ধরে বিলম্বিত হচ্ছে জাতীয় আদমশুমারি এবংজাতিগণনা শুরুর কাজ। অবশেষে প্রকাশিত হল দিনক্ষণ। এই বৃহৎ আকারের জনগণনার প্রস্তুতির সময়সূচী নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৭ সালের ১ মার্চ। দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে ।
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার জনসংখ্যা এবং জাতিশুমারির জন্য একটি সাময়িক সময়সূচী নির্ধারণ করেছে। সেই জন্যই ১ মার্চ, ২০২৭ থেকে দেশব্যাপী জনগণনা ও জাতিশুমারি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীর, লাদাখ এবং উত্তরাখণ্ডে এই প্রক্রিয়া ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের ঘোষণার কয়েক সপ্তাহ পরে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। তিনি নিশ্চিত করেছিলেনন যে রাজনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটি পরবর্তী আদমশুমারিতে জাতিগণনার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার অনুমোদন দিয়েছে। বৈষ্ণব বলেন, “রাজনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটি আসন্ন আদমশুমারি অনুশীলনে জাতিগণনা অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”
কংগ্রেস, ইন্ডিয়া ব্লক এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক দল বারবার দেশব্যাপী জাতিগণনার দাবি তুলেছে। সম্প্রতি, কংগ্রেস-শাসিত কর্ণাটক তাদের নিজস্ব জাতি গণনা পরিচালনা করেছে যা ভোক্কালিগা এবং লিঙ্গায়াত সম্প্রদায়ের আপত্তির সম্মুখীন হয়েছিল। তারা দাবি করেছিল যে সমীক্ষা ন্যায্য প্রতিনিধিত্বের অভাব রয়েছে।
ন্যাশনাল পপুলেশন রেজিস্টার (এনপিআর) আপডেট করার জন্য সাধারণত প্রতি দশ বছর অন্তর আদমশুমারি করা হয়। ২০২১ সালে এই শুমারি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তখন কোভিড মহামারীর কারণে তা স্থগিত করতে হয়। ২০১১ সালে শেষ আদমশুমারি অনুসারে ভারতে জনসংখ্যা ছিল ১২১ কোটিরও বেশি।