নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মোদির মন্ত্রিসভায় পাশ হয়েছে ‘ এক দেশ এক ভোট’। বুধবার এই নীতি পাশ হওয়ার পরেই সরব হয়েছেন বিরোধী শিবিরের একাংশ। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, ‘এটা বাস্তবসম্মত নয়, নির্বাচন এলে নজর ঘোরানোর জন্য এই সমস্ত ইস্যু উত্থাপন করা হয় । মানুষ আর এসব মেনে নেবে না। গণতন্ত্রে ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ চলতে পারে না। গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে যখন প্রয়োজন তখনই নির্বাচন করতে হবে।‘
কংগ্রেস সভাপতির মত একই সুর শোনা গেল তৃণমূলের রাজ্যসভা নেতার মুখে। বললেন, ‘গণতন্ত্রবিরোধী বিজেপির আরেকটি সস্তার রাজনীতি।‘ পাশাপাশি তৃণমূল নেতা প্রশ্ন করেছেন, ‘হরিয়ানা এবং জম্মু ও কাশ্মীরের নির্বাচনের পাশাপাশি কেন মহারাষ্ট্রের নির্বাচনের ঘোষণা হল না।‘ একথায় বলা যায়, মোদির ‘ এক দেশ এক ভোট’ নীতির বিরুদ্ধেই একজোট হয়েছে বিরোধী শিবির।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ‘এক দেশ, এক ভোট ‘-র বিষয়টি উত্থাপন করে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে ‘এক দেশ, এক ভোট’ নিয়ে বিরোধীতা করেছে কংগ্রেস-সহ ১৫টি দল। তাদের দাবি, নির্বাচনের এই পন্থা আমেরিকার কাঠামো এবং সংসদীয় গণতান্ত্রিক ভাবনার পরিপন্থী। শুধু তাই নয় রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘ এক দেশ এক ভোট’ কার্যকর হলে ভোটে জিততে বেশ সুবিধা হবে বিজেপির। কারণ ,সুবিধা হবে আসন সমঝোতায়। আর তাতে চাপে রাখা যাবে বিরোধী শিবিরকে।