আন্তর্জাতিক ডেস্ক, কানাডা: ভারত থেকে পড়তে গিয়েছিলেন কানাডায়, আর ফেরা হল না বাড়ি। রহস্যজনক ভাবে মৃত্যু হল বংশিকা সিং’র। ঘটনার আগে প্রায় ৪ দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন এই পড়ুয়া।
এই পড়ুয়া পাঠ্যসূত্রে কানাডাতেই থাকতেন। সেখানেই তাঁর রহস্যজনক মৃত্যুটি হয়। অটোয়ায় অবস্থিত ভারতীয় হাই কমিশন এই সম্পূর্ণ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর কারণ এখনও তদন্ত করা হচ্ছে। বংশিকা নিখোঁজ হওয়ার কয়েকদিন পর এই ঘটনা ঘটে।
বংশিকা সিং ছিলেন আপ নেতা এবং বিধায়ক কুলজিৎ সিং রন্ধাওয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগী দেবিন্দর সিংয়ের মেয়ে। পঞ্জাবের ডেরা বাসসির বাসিন্দা ছিলেন বংশিকা। জানা গিয়েছে, স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে আড়াই বছর আগে ডিপ্লোমা কোর্স করার জন্য কানাডার রাজধানী অটোয়াতে চলে আসেন।
অটোয়ার ভারতীয় হাই কমিশন জানিয়েছে, “অটোয়ায় ভারতীয় ছাত্রী মিসেস বংশিকার মৃত্যুর খবর পেয়ে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরা হয়েছে এবং স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে যে, কারণটি তদন্তাধীন। সম্ভাব্য সকল সহায়তা প্রদানের জন্য আমরা শোকাহত আত্মীয়স্বজন এবং স্থানীয় কমিউনিটি সংগঠনগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।”
অটোয়ার পুলিশ সার্ভিসের লেখা এক চিঠিতে বলা হয়েছে, ২৫ এপ্রিল বংশিকা তাঁর বাসস্থান থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। বংশিকার ফোন বারবার বন্ধ থাকায় তাঁর পরিবার চিন্তিত হয়ে পড়ে। এমনকি তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাও মিস করেন, যেটা তিনি কখনই করেন না।
ওই চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ২৫শে এপ্রিল অর্থাৎ শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে, ৭ ম্যাজেস্টিক ড্রাইভের তাঁর বাসস্থান থেকে রাতের দিকে বেড়ায়। একটি ভাড়া ঘর দেখার জন্য বংশিকা যান। তার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ। সেই রাতে তাঁর ফোন বন্ধ হয়ে যায় এবং পরের দিন তাঁর একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা দেয় না, যা তার জন্য সম্পূর্ণরূপে অস্বাভাবিক ছিল। তার পরিবার এবং বন্ধুদের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।
অটোয়া পুলিশ সার্ভিস মেয়েটিকে খুঁজে বের করার অনেক চেষ্টা করে।
অবশেষে একটি গণমাধ্যমে জানা যায়, বংশিকার মৃতদেহ একটি সমুদ্র সৈকতে পাওয়া গিয়েছে। মৃত্যুর কারণ অনিশ্চিত, এবং তদন্ত চলছে।