নিজস্ব প্রতিনিধি: চণ্ডীগড়ে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাকে কথার জালে ফাঁসিয়ে প্রতারকরা লুট করল সাড়ে ৩ কোটি টাকা। তাঁকে ডিজিট্যাল অ্যারেস্টের ভয় দেখিয়ে প্রতারণা করা হয়েছে। চণ্ডীগড় পুলিশ এই মামলায় একটি এফআইআর নথিভুক্ত করেছে। সেই সঙ্গে চলছে অভিযুক্তকে গ্রেফতারের জন্য তদন্ত চলছে। চণ্ডীগড়ের এসপি গীতাঞ্জলি খান্ডেলওয়াল বলেন, এটি একটি ডিজিটাল গ্রেফততারের ঘটনা, যেখানে ওই সেনা আধিকারিককে বলা হয়েছিল যে তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট অর্থ পাচারের সাথে যুক্ত।
তাঁকে অনলাইনে আদালতের একটি দৃশ্য দেখানো হয়েছিল, যেখানে একজন বিচারক এবং একজন পুলিশ অফিসার ছিলেন। সেখান থেকেই ওই সেনা আধিকারিককে হুমকি দেওয়া হয় যে, যদি তিনি অবিলম্বে অর্থ প্রদান না করেন, তাহলে তাঁদের ডিজিট্যালি গ্রেফতার করা হবে।
জালিয়াতি কীভাবে ঘটল?
অবসরপ্রাপ্ত কর্নেলকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল যে, যদি তিনি টাকা না দেন তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই চাপের মুখে, কর্নেল ১০-১২ দিনের মধ্যে সাড়ে ৩ কোটি টাকা হারান। পুলিশ কিছু পরিমাণ টাকা উদ্ধার করেছে এবং বাকি অর্থ উদ্ধারের চেষ্টা করছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
এই মামলায়, অভিযুক্তদের কাছে ইতিমধ্যেই কর্নেল সম্পর্কে তথ্য ছিল। তারা এই তথ্যের ভিত্তিতে টার্গেট করেছিল। ভয় দেখানোর জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়েছিল। এই ঘটনার পর, চণ্ডীগড় পুলিশ প্রবীণ নাগরিকদের সচেতন করার জন্য একটি বিশেষ অভিযান শুরু করেছে।
তারা প্রবীনদের বাড়িতে গিয়ে সাইবার অপরাধ সম্পর্কে তথ্য দেবে এবং তাদের বলবে কিভাবে তারা এই ধরনের জালিয়াতির ঘটনা এড়াতে পারে। পুলিশ জানিয়েছে যে এই অভিযানটি বিশেষ করে একা বসবাসকারী প্রবীণ নাগরিকদের কথা মাথায় রেখে চালানো হচ্ছে।
এসপি গীতাঞ্জলি খান্ডেলওয়াল এই প্রসঙ্গে বলেন, পুলিশের অগ্রাধিকার হল যতটা সম্ভব প্রতারণার পরিমাণ উদ্ধার করা এবং অপরাধীদের গ্রেফতার করা। সেই সঙ্গে প্রবীনদের সচেতন করা।