নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি : বিগত বেশ কয়েকদিন ধরে বাজারে বেড়েছে জাল নোটের কারবার। ৫০০ টাকার জাল নোট সব থেকে বেশি চলছে বাজারে। জাল নোটের রমরমা আটকাতে সাত বছর আগে আচমকাই নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নতুন ২০০০ ও ৫০০ টাকার নোট ছাপানো হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন করে ২ হাজারির নোট বাজার থেকে তুলে নিয়েছে মোদি সরকার। এবার চিন্তা বাড়িয়েছে ৫০০-র নোট। রিজার্ভ ব্যাঙ্কেরই রিপোর্টই কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
রিজার্ভ ব্যাঙ্কের রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত এক বছরে ৫০০ টাকার জাল নোট বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৭.৩ শতাংশ। দেশজুড়ে বাজেয়াপ্ত হওয়া নোটের এটাই পরিসংখ্যান। ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৫ সালের মার্চ মাসের মধ্যে যে পরিমাণ জাল ৫০০ টাকার নোট ধরা পড়েছে তা প্রায় ৫ লক্ষ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। পাশাপাশি ২০০ টাকার জাল নোট বৃদ্ধি পেয়েছে। জানা গিয়েছে, ১৩.৯ শতাংশ ২০০ টাকার জাল নোট উদ্ধার হয়েছে। ৫০০, ২০০-র পাশাপাশি ১০, ২০, ৫০, ১০০ টাকার নোটও জাল হচ্ছে। কিন্তু এর বাইরে সকলের নজরের আড়ালেও রয়েছে বিপুল পরিমাণ জাল নোট। নোট বাতিল করে লাভ কী হল? শুক্রবার এমনই প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস মুখপাত্র জয়রাম রমেশ।
রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে নগদ লেনদেনের ক্ষেত্রে ১০০ ও ২০০ টাকার নোটে জোর দেওয়া হয়েছে। তারমধ্যেই রিজার্ভ ব্যাঙ্কে এই রিপোর্টে চিন্তা বাড়ছে। গত ২৮ এপ্রিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সার্কুলার জারি করে দেশের সব ব্যাঙ্ককে নির্দেশ দিয়েছিল, এটিএমগুলিতে এখন থেকে বেশি করে ১০০ এবং ২০০ টাকার নোট রাখতে হবে। বলা হয়েছে, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রত্যেক ব্যাঙ্ককের কমপক্ষে ৭৫ শতাংশ এটিএমে ১০০ ও ২০০ টাকার নোট রাখতে হবে। ১০০ ও ২০০-র নোট রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে আগামী বছরের মার্চের মধ্যে ৯০ শতাংশ এটিএম-এ ১০০ ও ২০০-র নোট রাখতে হবে। ১০ টাকার নোট আরও বেশি করে ছাপার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।