নিজস্ব প্রতিনিধি :দিশা সালিয়ান কোনও সুন্দরী নায়িকার চেয়ে কম ছিলেন না।তবে অভিনয় নয়,বরং অভিনেতাদের ম্যানেজার হিসাবে পরিচিত মুখ ছিলেন দিশা। দু’দিন আগেই মেয়ে দিশা সালিয়ানের মৃত্যু নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করেছিলেন তাঁর বাবা সতীশ সালিয়ান।তাঁর মেয়ে দিশা সালিয়ানের মৃত্যুর সঙ্গে অভিনেতা অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর যোগ রয়েছে বলে দাবি করেছিলেন তিনি। যদিও এই দুই মৃত্যু ঘিরে বহু বিতর্ক রয়েছে।তবে ইতিমধ্যেই দিশা সালিয়ান মৃত্যু মামলায় ক্লোজার রিপোর্ট জমা দিল মুম্বই পুলিশ।সেখানে উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য।
পুলিশ দিশার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করেছে।এর পেছনের কারণ হিসেবে পুলিশের দাবি, দিশার বাবা টাকা নষ্ট করতেন।দিশার কষ্টর্জিত টাকা তারা অপব্যবহার করত।এর কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন দিশা।ওই রিপোর্ট অনুযায়ী,দিশা আত্মহত্যা করেছিলেন,মালাড-এর ১৪ বিল্ডিং থেকে পরে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর।সুশান্তের মৃত্যুর ৬ দিন আগে এটা ঘটে।
পুলিশের দাবি,দিশা মৃত্যুর আগে কর্ণারস্টোন কোম্পানিতে সেলিব্রিটি ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন। মিড-ডে-এর একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, তিনি যে দুটি প্রজেক্ট দেখাশোনা করছিলেন,সেগুলি বন্ধ হয়ে যায়। যে কারণে তিনি হতাশ হয়ে পড়েছিলেন।তার বাবা সতীশ তাঁর মশলা উৎপাদন ইউনিটের একজন মহিলা সহকর্মীর সঙ্গে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। দিশা ব্যবসার জন্য যে টাকা তাঁর বাবাকে ধার দিয়েছিলেন, সতীশ সেই টাকা নিজের সেই প্রেমে খরচ করেন। আর এই বিষয়টিই নাকি দিশাকে গভীরভাবে বিচলিত করে তুলেছিল।এরপর তিনি আত্মহত্যার করার সিদ্ধান্ত নেন।
দিশার আগের ময়নাতদন্তে রিপোর্টে দেখা যায়।মৃত্যুর আগে তার উপর কোনও আক্রমণ হয়নি।তার মৃত্যুর কারণ হিসাবে বলা হয়েছিল মাথায় মারাত্মক আঘাত যা ১৪ তলা থেকে পড়ে যাওয়ার কারণেই হয়েছিল।
পুলিশের আরও দাবি দিশা সালিয়ান তার সংস্থার পক্ষ থেকে যেসব অভিনেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছিলেন, তাদের বক্তব্যও তারা রেকর্ড করেছে।এছাড়াও দিশার কাছের বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে তারা কথা বলেছে। তারাও জানিয়েছে দিশা অর্থকষ্টে ভুগছিল।