বর্তমানে উত্তরপ্রদেশ ও বিহার রাজ্যে চলছে ঝড়-বৃষ্টি-বজ্রপাতের বিশাল তাণ্ডব। লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছে গোটা এলাকা। খবর পাওয়া গিয়েছে, দুই রাজ্য মিলিয়ে কমপক্ষে ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে প্রবল ঝড় এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সাক্ষী হয়েছে এই দুই রাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকা। কোথাও দেওয়াল চাপ পড়ে আবার কোথাও ভেঙে পড়েছে গাছ। ফলে মৃত্যু হয়েছে বহু বাসিন্দাদের।
এই ভয়াবহ বজ্রপাতে সব থেকে বেশি মৃত্যু হয়েছে নালন্দার বাসিন্দাদের। গত ২৪ ঘণ্টায় বিহারে মৃত্যু হয়েছে ৫৮ জনের। এর মধ্যে নালন্দাতেই মৃত ২২। উত্তরপ্রদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগের বলি আরও ২২। এই পরিস্থিতিতে মৃতদের পরিবার পিছু চার লক্ষ টাকা দিয়ে আর্থিক সাহায্য করবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে বিশেষ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত গয়া, ভোজপুর, পাটনা, গোপালগঞ্জ, মুঙ্গের, সমস্তিপুর, জেহানাবাদ, মুজফ্ফরপুর, আরারিয়া এবং বেগুসরাই। আগামী ৪৮ ঘণ্টাতেও বিহারে মুষলধারে বৃষ্টি এবং বজ্রপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। প্রয়োজন না হলে ঝড়ের সময়ে বাইরে বের হতে সম্পূর্ণ নিষেধ করা হচ্ছে বাসিন্দাদের।
Bihar: Heavy rain, strong winds, and lightning started in Bhagalpur pic.twitter.com/NaxAYvuSrl
— IANS (@ians_india) April 10, 2025
গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরপ্রদেশেওপ্রবল ঝড় ও বজ্যবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতে কমপক্ষে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। রিলিফ কমিশনারের দপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২২ জনের মধ্যে ১৩ জন বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন। বাকিদের মৃত্যু হয়েছে দেওয়াল চাপা পড়ে। কানপুর, ফতেহপুর, ফিরোজ়াবাদ, কনৌজ, সনৎ কবীর নগর, সীতাপুর, সিদ্ধার্থনগর, আজমগড়, অমেঠি, বারাবাঁকি এবং বালিয়াতে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে।
কী কী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা নিয়ে আধিকারিকদের থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এই মর্মে একটি সার্ভেও করা হচ্ছে। পর্যাপ্ত খাদ্যদ্রব্য ও ত্রাণ মজুত করে রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন। এমনকী সব জেলা আধিকারিকদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করতেও বলেছেন যোগী।