নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: জীবনকে তুচ্ছ করে গত ৭ মে ‘অপারেশন সিঁদুর’ অভিযানে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে জঙ্গিদের ডেরা মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছিলেন ওঁরা। মেরুদণ্ড গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন কুখ্যাত সন্ত্রাসীদের। ওই দুঃসাহসিক কাজের জন্য ভারতীয় বায়ুসেনার ৯ আধিকারিককে চলতি বছর ‘বীর চক্র’ সম্মানে সম্মানিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি ‘শৌর্য চক্র’ সম্মান দেওয়া হচ্ছে অভিযানে অংশ নেওয়া যুদ্ধবিমানের এক বৈমানিককে।
গত ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের অনন্তনাগের পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকায় এক রিসর্টে ঢুকে ২৬ নিরীহ পর্যটককে নৃশংসভাবে খুন করেছিল পাক সন্ত্রাসীরা।। ওই ঘটনায় শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছিল গোটা দেশ। ওই মৃত্যুর বদলা নিতে গত ৭ মে মধ্যরাতে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে বিশেষ সামরিক অভিযান চালিয়েছিল ভারতীয় সেনা। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মুরিদকে ও ভাওয়ালপুরে থাকা জয়েশ-ই মহম্মদ ও লস্কর-ই-তৈয়বার ঘাঁটি গুঁড়িয়ে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছিল বায়ুসেনা। ওই দুঃসাহসিক অভিযানের সঙ্গে জড়িত থাকা ৯ বায়ুসেনা আধিকারিক ও এক যুদ্ধবিমানের চালককে সম্মানিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।
বায়ুসেনার যে নয় আধিকারিক ‘বীর চক্র’ পাচ্ছেন তাঁরা হলেন-গ্রুপ ক্যাপ্টেন রনজিৎ সিং সান্ধু, গ্রুপ ক্যাপ্টেন মণীশ অরোরা, গ্রুপ ক্যাপ্টেন অনিমেষ পাটনি, গ্রুপ ক্যাপ্টেন কুণাল কালরা, উইং কমান্ডার জয় চন্দ্র, স্কোয়াড্রন লিডার সার্থক কুমার, স্কোয়াড্রন লিডার রিজওয়ান মালিক ও ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট আরশবীর সিংহ ঠাকুর। এদের পাশাপাশি ‘শৌর্য চক্র’ পাচ্ছেন যুদ্ধবিমানের চালক উইং কমান্ডার অভিমন্যু সিংহ।
সম্প্রতি ভারতের বায়ুসেনা প্রধান অমৃতপ্রীত সিংহ জানিয়েছিলেন, ‘অপারেশন সিঁদুর’ অভিযানের সময়ে পাকিস্তানের ৫টি যুদ্ধবিমান ও একটি সামরিক বিমান গুলি করে ধ্বংস করা হয়েছিল। যদিও ওই দাবি মানতে চায়নি পাক সরকার।।