নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশজুড়ে একের পর এক রেল দুর্ঘটনা, তার মধ্যেই মঙ্গলবার (২৭ অগস্ট) লখনউয়ের ৮ টি রেলস্টেশনের নতুন নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করল উত্তর রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। আর সেইসব রেলস্টেশনগুলির নাম সাধু ও মুক্তিযোদ্ধাদের নামে নামাঙ্কিত করা হয়েছে। আর তাতেই বিতর্ক তুঙ্গে। কারণ গত ২ বছর ধরেই দেশজুড়ে একাধিক রেল দুর্ঘটনার দেখেছে দেশবাসী। আর তাতে মারা গিয়েছেন অসংখ্য যাত্রী, সেই রেলওয়ে ব্যবস্থারই কোনও উন্নতি বা দুর্ঘটনা রোধে বিজেপি সরকার মনোযোগ না দিয়ে রেলওয়ে স্টেশনের নাম পরিবর্তন করছে, এই নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব।
তিনি বিজেপি সরকারের এহেন পদক্ষেপে তীব্র নিন্দা করে জানিয়েছেন, রেলওয়ে স্টেশনের নাম পরিবর্তন না করে বিজেপি সরকারের উচিত রেলস্টেশনগুলির অবস্থার উন্নতি এবং ট্রেন দুর্ঘটনা রোধের উপর মনোযোগ দেওয়া। এরপর অখিলেশ যাদব উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে কটাক্ষ করে আরও বলেন, ‘শুধু নাম নয়, বিজেপি সরকারকে রেলওয়ে স্টেশনগুলির নাম-সহ রেল স্টেশনগুলির অবস্থাও পরিবর্তন করার অনুরোধ করা হচ্ছে।’ উত্তর রেলওয়ের জারি করা একটি আদেশ অনুসারে, লখনউয়ের কাশিমপুর হল্ট রেলওয়ে স্টেশনটি এখন জয়েস সিটি রেলওয়ে স্টেশন নামে চিহ্নিত হয়েছে।
এছাড়াও জয়স গুরু গোরক্ষনাথ ধাম, মিসরৌলি মা কালিকান ধাম, বাণী স্বামী পরমহংস, নিহালগড় মহারাজা বিজলি পাসী, আকবরগঞ্জ মা অহরওয়া ভবানী ধাম, ওয়ারিশগঞ্জ অমর শহীদ ভালে সুলতান এবং ফুরসতগঞ্জ নামে আরও স্টেশনগুলি পরিচিত হবে। আসলে লখনউয়ের সাংস্কৃতিক পরিচয় ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য আমেথির প্রাক্তন সাংসদ স্মৃতি ইরানি দাবি করার পরে স্টেশনগুলির নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। ইরানি মার্চ মাসে সোশ্যাল মিডিয়ায় নাম পরিবর্তনের বিষয়ে ঘোষণা করেছিলেন।