নিজস্ব প্রতিনিধি : বেগুণ কথাটার অর্থ কিন্তু এটা নয়, যে গুণ নেই। আপনি কী জানেন বেগুণের গুণে দূরে পালায় বহু রোগব্যাধি। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থেকে শুরু করে, ডায়াবেটিস, ক্যান্সারে, ওজন কমানো ইত্যাদি নানান সমস্যায় বেগুনই পারে সমাধান করতে। একটা অবশ্য কথা আছে, আমিষভোজী মজে মাছে,আর নিরামিষভোজী মজে বেগুণ ভাজায়। তবে বেগুণ শুধু ভাজাতেই নয়, বেগুন পাতুরি, বেগুন পোড়া, বেগুনি, বেগুন বাসন্তী, দই বেগুনের মতো জিভে জল সব পদে আহার করে তৃপ্তি পায় বাঙালি-অবাঙালিরাও। ভাত-রুটি হোক বা বিরিয়ানি পোলাও, বেগুন ভাজা মাস্ট। তাই দেরি না করে জেনে নিন বেগুণের এই জিভে জল আনা এই রেসিপিটি।
নারকেল বেগুনের ভর্তা :
উপকরণ : বেগুন, শুকনো লঙ্কা, শুকনো খোলায় ভেজে নেওয়া সাদা তিল, টোম্যাটো, রসুন কুচি, পেঁয়াজ কুচি, লবন, সর্ষের তেল, পোস্ত, নারকেল কোরা, রসুনের কোয়া, আদাবাটা, কাঁচা লঙ্কা।
প্রণালী : প্রথমে ভাল করে নারকেল, পোস্ত এবং তিল মিহি করে বেটে নিতে হবে। এরপর বেগুন ভালো করে ধুয়ে ছুরি বা কাঁটা চামচ দিয়ে গোটা রসুনের কোয়া বেগুনে গেঁথে নিন। এবার সেটি ঝলসে নিন। টোম্যাটো আগুনে ঝলসে নিয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। এবার পোড়া টোম্যাটো, পোড়া বেগুন-রসুন ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন।
একটি ফ্রাইং প্যানে ফের সামান্য তেল গরম করে তাতে আদা, পেঁয়াজ, রসুন, টমেটো কুচি ও শুকনো লঙ্কা দিয়ে ভেজে নিন। তারপর তাতে লবন, তিল, পোস্ত, নারকেল বাটা দিয়ে কয়েক মিনিট ভালো করে ভেজে নিন। এরপর কাঁচা লঙ্কা কুচি এবং বেগুন-টোম্যাটোর মিশ্রণ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে রান্না করে নিন কয়েক মিনিট। দেখবেন খুব সুন্দর গন্ধ বেরিয়েছে।একটু একটু মাখো মাখো হয়ে গেলে নামিয়ে নিন। এবার গরম গরম পরিবেশন করুন নারকেল বেগুনের ভর্তা। ভাত বা রুটির সঙ্গে দারুণ লাগবে একেবারে।