নিজস্ব প্রতিনিধি : ঠাকুরবাড়ির রান্না বলে কথা, আলাদাই ঐতিহ্য।রবি ঠাকুর ভোজনরসিক ছিলেন বটে। তাই তো ঠাকুরবাড়ির হেঁশেলে নিত্যনতুন পদের রান্না হত। চিংড়ির কদর ছিল বটে । কতরকমের পদই না রান্না হত। তবে চিংড়ির হরেক রকম পদের মাঝে এই পদটি মাস্ট ট্রাই করতে পারেন। এই পদেই খাবারের রসনা উপভোগ করতেন ঠাকুরবাড়ির লোকেরা। অন্যদিকে হাতে আর একটা দিন মাত্র। এরপরেই রাখি। এইদিন ভাইকে নিজের হাতে রান্না করে খাওয়াতে চাইলে ঘরে বসে কম সময়ে বানিয়ে নিতে পারেন চিংড়ির এই সুস্বাদু রেসিপিটি। বেশি না, সাতখানা উপকরণ দিয়েই বাজিমাত। জেনে নিন বানাবেন কীভাবে।
উপকরণ : ১২ টি মাঝারি মাপের বাগদা চিংড়ি, ৫০০ গ্রাম টক দই, চেরা কাঁচা লঙ্কা, গরম মশলা গুঁড়ো, লবন ও চিনি
প্রণালী : প্রথমে চিংড়ি করে গুলোকে ভাল করে ধুয়ে পরিস্কার করে নিতে হবে। মশলা ভাজার জন্য শুকনো খোলা বা তাওয়াই বা কড়াইও ব্যবহার করতে পারেন এক্ষেত্রে, এককথায় যেটাতে মশলা ভাজা সুবিধে হবে এমন পাত্রে আগে লবঙ্গ, দারচিনি আর এলাচ শুকনো ভেজে নিয়ে গুঁড়ো করে নিতে হবে। এবার একটি বড় বাটিতে দই নিয়ে তার সঙ্গে গরম মশলা গুঁড়ো, লবন ও চিনি মিশিয়ে ভাল করে ফেটিয়ে নিতে হবে।
এবার কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে তেজপাতা দিয়ে দিন। এরপর সেই তেলের মধ্যে দিয়ে দিন আগে থেকে ফেটিয়ে রাখা দই। ঝোল ফুটে উঠলে তাতে চেরা কাঁচালঙ্কা দিয়ে দিন। এক্ষেত্রে কেউ বেশি ঝাল খেতে চাইলে লঙ্কার পরিমাণ বাড়িয়ে নিতে পারেন। এবার মিশ্রণটি ক্রমাগত নাড়তে থাকুন।
দইয়ের মিশ্রণটি থেকে তেল ছাড়তে শুরু করলে তাতে ধুয়ে পরিষ্কার করে রাখা চিংড়িগুলি দিয়ে দিন। কড়াইে ঢেকে রাখুন মিনিট পাঁচেকের জন্য। ঝোলের রং সোনালি হয়ে এলে এবং চিংড়ি মাছ সেদ্ধ হয়ে এলে গ্যাস বন্ধ করে দিন। দেখবেন খুব সুন্দর গন্ধ বেরিয়েছে। এবার গরম ভাত কিংবা পোলাওয়ের সঙ্গে পরিবেশন করুন দই চিংড়ি। খেতে জাস্ট অসাধারণ হয় এই দই চিংড়ির পদটি।