নিজস্ব প্রতিনিধি : বাঙালির পাঁঠার মাংস যতই প্রিয় হোক, রসনাতৃপ্তিতে ডিমও সেরা। গরম ভাতে ডিমের পোচ হোক বা অমলেট,কষা সেদ্ধ সবতেই ডিম কিংবদন্তি।মা ঠাকুমার আমল থেকে ডিমের পদ যেন পুরনো হয় না। আর তার সঙ্গে চাই এক চামচ ঘি বা একটুকরো লেবু। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে উপকারী। স্বাদবদল করতে চান ? তবে বানিয়ে নিন ডিমের এই নয়া পদ। এই পদ অতীতে আভিজাত্য পরিবারেই হত। এখন তা সব বাড়িতেই হয়। সহজ উপায়ে বানিয়ে নিন ডিমের শাঁসরাঙা।
উপকরণ : ৬ টি মুরগি বা হাঁসের ডিম, ২ কাপ নারকেলের দুধ, ৪টি কাঁচালঙ্কা, ৩ টেবিল চামচ ঘি, প্রয়োজন মত সাদা তেল, ৩টি পেঁয়াজ কুচি, ৩ টি টেবিল চামচ পেঁয়াজ বাটা, কয়েকটি ছোট এলাচ, লবঙ্গ, দারচিনি, আধ টেবিল চামচ আদা বাটা ও টমেটো কুচি, আধ টেবিল চামচ রসুন বাটা, এক চা-চামচ হলুদ, এক চা-চামচ লঙ্কা গুঁড়ো, আধ চা-চামচ ধনে, জিরেগুঁড়ো ও স্বাদমত লবন
প্রণালী : প্রথমেই ডিম ফাটিয়ে সাদা অংশ থেকে কুসুম আলাদা করে নিন। খেয়াল রাখতে হবে কুসুম যেন ঘেঁটে না যায়।এবার সাদা অংশ লবন দিয়ে ভাল করে ফেটিয়ে নিন।কড়াইয়ে তেল গরম হলে সাদা অংশ ভেজে অমলেটের মতো মুড়ে নিন।তার পর ছুরির সাহায্যে ২ ইঞ্চি টুকরো করে কেটে ফেলুন।এবার কড়াইয়ে সাদা তেল এবং ঘি দিয়ে পেঁয়াজ কুচি লাল করে ভেজে বেরেস্তা বানিয়ে তুলে রাখুন।
আবার তেল দিয়ে গোটা গরম মশলা ফোড়ন দিন। তার পর পেঁয়াজ বাটা ভেজে নিন। ওর মধ্যে যোগ করুন আদা, রসুন বাটা। একটু নাড়িয়ে নিয়ে লবন, হলুদ এবং সমস্ত গুঁড়ো মশলা দিয়ে কষিয়ে নিন। দিয়ে দিন কিছুটা গরম জলে। সমস্ত উপকরণ মিশিয়ে নিয়ে আঁচ কমিয়ে নারকেলের দুধ দিয়ে ফুটতে দিন।
ওর মধ্যে দিয়ে দিন কাঁচালঙ্কা। সমস্ত উপকরণ ফুটে গেলে যোগ করুন ডিমের সাদা অংশ। তার পর কুসুমগুলি একে একে ঝোলে ছেড়ে আঁচ কমিয়ে ঢাকা দিন। ভাপেই এগুলো সেদ্ধ হয়ে যাবে।