নিজস্ব প্রতিনিধি : দুর্গা পুজো মানেই বাঙালির কাছে খুব বিশেষ কয়েকটা দিন। উমার অপেক্ষায় সারা বছর ধরে চাতক পাখির মত চেয়ে থাকে বাঙালিরা ! অবশেষে দেখতে দেখতে পুজো এসেই গেল। পুজো মানেই তো একটু ভাল মন্দ চেখে দেখা। ভোজনরসিক বাঙালিদের পেট পুজো বলে কথা..। জানেন কী ঠাকুরবাড়ির হেশেঁলে মাঝেমধ্যে একটি সুপরিচিত পদ প্রায় রান্না হত। তা হল রুই মাছের বাটি চচ্চড়ি। এই বাটি চচ্চড়ি মেঝেতে বসে তৃপ্তি করে খেতেন রবি ঠাকুর। পুজোর হেঁশেলে না হয় থাকুক একটু ঠাকুরবাড়ির ছোঁয়া। জেনে নিন বানাবেন কীভাবে।
উপকরণ : পরিমাণমত টুকরো করা রুই মাছ, ৩ টে পেঁয়াজ ডুমো করে কাটা, ৮ টি পেঁয়াজকলি লম্বা করে কাটা, রসুন কোয়া , ২ টো ডুমো ডুমো করে কাটা আলু , হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কাগুঁড়ো, পরিমাণমতো সর্ষের তেল, ২ আঁটি ধনেপাতা কুচি, চেরা কাঁচালঙ্কা, ধনেগুঁড়ো,জিরেগুঁড়ো, ৩ টে টমেটো কুচি, গরম মশলা গুঁড়ো ও স্বাদ মত লবন
প্রণালী : প্রথমে একটি পাত্রে পেঁয়াজকলি, আলু,মাছ নিয়ে নিন। এবার তাতে হলুদগুঁড়ো,লঙ্কাগুঁড়ো,ধনেগুঁড়ো,জিরেগুঁড়ো সব একসঙ্গে দিয়ে দিতে হবে। তারপর তাতে টমেটো কুচি ও লবন দিয়ে মেখে নিন। এরপর ঐ মিশ্রণের মধ্যে পেঁয়াজ,রসুন,চেরা লঙ্কা ও বেশ কিছুটা তেল দিয়ে মাখিয়ে নিন। এবার ১৫ থেকে ২০ মিনিট মত ঢাকা দিয়ে রেখে দিন।
গ্যাসের আঁচ লো ফ্লেমে রেখে একটা পাত্রে মাছের মিশ্রণটা দিয়ে দিন। একটু নাড়াচাড়া করে নিন। অল্প একটু ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দিন। এবার ঢাকা দিয়ে ১৫ মিনিট মতো রেখে দিন। এবার ঢাকা খুলে একটু জল দিয়ে আবার ঢাকা দিতে হবে। তবে আঁচ যেন খুব বেশি না হয়। লো ফ্লেমে রাখলেই ভাল হয়। এবার এটিকে ভাল করে ফুটতে দিন। যখন জল ফুটে ঘন হয়ে আসবে তখন ওপর থেকে গরম মশলা গুঁড়ো ও ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে নামিয়ে নিন। ব্যস রেডি রুই মাছের বাটি চচ্চড়ি।