নিজস্ব প্রতিনিধি: বর্তমানে দ্রব্যমূল্যর বাজারে অনেকরই জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। সমাজে এমন বহু মানুষ আছেন যাঁরা তাঁদের জীবনের সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই করে চলেছেন শুধুমাত্র টাকার জন্য। ভালো জীবনযাপনের জন্য। বেশিরভাগ ব্যক্তি একটি নির্দিষ্ট আয়ের উপর নির্ভর করছে না। চাকরির পাশাপাশি বিকল্প পথ খুঁজে নিতে হচ্ছে অর্থ আয়ের জন্য। যার অন্যতম উৎস সোশ্যাল মিডিয়া। কেউ সৃজনশীল কোনও কাজ ফ্রিল্যান্সিং, রিল সহ বহু উপায়ে অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলি থেকে অর্থ উপার্জন করছেন। এমন পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় পায়ের ছবি বিক্রি করার একটা ট্রেন্ড লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যেখান থেকেই অনেকেই লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করছেন। শুনতে অবাক লাগলেও অনেকের কাছেই এটি একটি বাড়তি আয়ের উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে প্রশ্ন হচ্ছে ভারতে পায়ের ছবি বিক্রি করা কি বৈধ?
আপনি সামজিক মাধ্যমে এমন অনেককেই দেখতে পাবেন যারা হামেশাই দাবি করেন, তাঁরা তাঁদের পায়ের ছবি বিক্রি করে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে যথেষ্ট ভালো টাকা উপার্জন করছেন। তবে বারবার প্রশ্ন উঠছে, এই কাজ ভারতে আদৌ বৈধ? আইনসম্মত? নিরাপত্তা ও নিশ্চয়তার দিকটিও চলে আসে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতে পায়ের ছবি বিক্রি করা যায়। এই কাজ সাধারণত আইনসম্মত ও বৈধ। পাশাপাশি এটাও ঠিক যে, এই কাজ করার জন্য অবশ্যই কিছু প্রাথমিক নিয়ম মেনে চলতে হয়। কারণ পায়ের ছবি বিক্রি করার কাজ অবৈধ না হলেও কাজটি অবশ্যই অনেক দায়িত্বশীল ও সচেতনতার সঙ্গে করতে হয়। আপনাকে প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে। নিজের ছবি ছাড়া কারোর পায়ের ছবি ব্যবহার করা যাবে না। আরেকটা বিষয় নিশ্চিত করতে হবে যে ছবি বিক্রি করা হচ্ছে তা কোনওভাবেই অশালীন যেন না হয়।
জানা গিয়েছে, পায়ের ছবি বিক্রি করার জন্য ভারতের নির্দিষ্ট কোনও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম নেই। বেশিরভাগই সব আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম। এই কাজ করার জন্য আপনাকে অ্য়াকাউন্ট তৈরি করে বেসিক একটি প্ল্যান কিনতে হবে। তারপরেই কন্টেন্টের কাজ করতে হবে। যেখান থেকে ভালো অর্থ উপার্জন করা সম্ভব হচ্ছে। তবে ইনস্টাগ্রামের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মেও পায়ের ছবি বিক্রি করা সম্ভব। এই পদ্ধতি শুনে সহজ মনে হলেও তা আদতে ঠিক না। নিশ্চয়তা, সুরক্ষা, নিয়ন্ত্রণ-এর বিষয়টিও সামনে চলে আসে। পাশাপাশি এই কাজ করতে গিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকাউন্ট হ্যাক এমনকি ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।