নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: বাংলাদেশকে ‘কব্জা’ করতে নয়া চাল পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের। শেখ হাসিনাকে উচ্ছেদের ক্ষেত্রে মূলপাণ্ডার ভূমিকা পালনকারী ছাত্র নেতাদের নিয়ে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করানোর উদ্যোগ নিয়েছে। ওই নয়া দলের নাম হতে চলেছে জনশক্তি। আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নয়া দল বাংলাদেশের মাটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। আর ওই দলকে বাংলাদেশের শাসন ক্ষমতায় বসানোই লক্ষ্য হতে চলেছে মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের। ওই পরিকল্পনার কথা জানতে পেরেই অন্তর্বর্তী সরকারকে সতর্ক করে দিয়েছেন বিএনি শীর্ষ নেতারা। সরকারি মদতপুষ্ঠ কোনও রাজনৈতিক দলকে মানুষ বেছে নেবে না বলে হুঙ্কার ছেড়েছেন তাঁরা।
৫ অগস্ট সেনা বিদ্রোহের মুখে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে চলে যান। আর বঙ্গবন্ধুর কন্যার ক্ষমতা হারানোর পিছনে অণুঘটক হিসাবে কাজ করা মাহফুজ আলম, আখতার হোসেন, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারির মতো হিযবুত তাহরীর জঙ্গিদের বাংলাদেশ আন্দোলনের মূল স্রোতে প্রতিষ্ঠিত করতে আসরে নামে পাক গুপ্তচর সংস্থা। সেই মতো জাতীয় নাগরিক কমিটি নামে এক সংগঠন গড়ে তোলা হয়। ওই সংগঠনের নেতৃত্বে রাখা হয় কট্টর মৌলবাদী ও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছাত্র নেতাদের। কিন্তু জাতীয় নাগরিক কমিটিকে অরাজনৈতিক সংগঠন হিসাবে প্রথম থেকেই দাবি করায় ভোট রাজনীতিতে লড়াই করা খানিকটা কঠিন হয়ে পড়েছে।
তাই নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যেহেতু এখন অন্তর্বতী সরকারের প্রশাসন ব-কলমে পাক গুপ্তচর সংস্থা চালাচ্ছে তাই ভোট কারচুপি করে নয়া দলকে দিয়ে ক্ষমতা দখল খুব একটা অসম্ভব হবে না বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। সূত্রের খবর, দিল্লিকে চাপে রাখতে বাংলাদেশকে কব্জা করতে নির্বাচনের মাধ্যমে ‘ইয়েসম্যানদের’ ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে পাক শাসকরা। পূর্ব সীমান্তে ভারতীয় সেনাদের ব্যতিব্যস্ত রেখে পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে লাগাতার জঙ্গি ঢুকিয়ে নাশকতামূলক কাজকর্ম চালানোই মূল লক্ষ্য পাক গুপ্তচর সংস্থার।