নিজস্ব প্রতিনিধি: আমলকিকে আয়ুর্বেদে সুপার ফুড বলে বর্ণনা করা হয়। এতে ভিটামিন সি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফাইবার এবং প্রদাহ বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আমলকির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এছাড়া হজমশক্তি, ত্বক, চুল এবং রক্তের শর্করার জন্য উপকারী এই ফলটি। কিন্তু আপনি কি জানেন যে আমলকি সবার জন্য উপকারী নয়। অনেকেরই আমলকির বায়ো অ্যাক্টিভ কম্পাউন্ডের প্রতি এলার্জি থাকতে পারে। তার ফলে চুলকানি ফোলা ভাব বা ত্বকের জ্বালা সৃষ্টি করতে পারে। তাই আজ আমরা জেনে নিই কাদের পক্ষে আমলকি খাওয়া একেবারেই উচিত নয়।
আমলকি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাই এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যকর। কিন্তু যাদের ইতিমধ্যেই রক্তে শর্করার পরিমাণ কম, তাদের জন্য আমলকি ক্ষতিকারক হতে পারে। এই একটি ফল তাদের রক্তে শর্করার মাত্রা আরও কমিয়ে দিতে পারে।
আমলকি টক, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। তাই যাদের অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকে, তাদের ক্ষেত্রে আমলকি খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভাল। বিশেষ করে খালি পেটে বা কাঁচা আমলকি খেলে অ্যাসিডিটির সমস্যা বাড়তে পারে।
আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে যা শরীরের অক্সালেটের মাত্রায় পরিবর্তন আনতে পারে। অক্সালেট কিডনিতে পাথরের একটি প্রধান কারণ। বিশেষ করে ক্যালসিয়াম অক্সালেট স্টোন যাদের ইতিমধ্যেই কিডনিতে রয়েছে তাঁদের ্যামলকি খাওয়া উচিত নয়। এছাড়াও যে কোনও ধরনের কিডনির সমস্যা থাকলেও বেশি পরিমাণে আমলকি খাওয়া উচিত নয়।
আমলকি রক্ত পাতলা করতে সাহায্য করে। রক্ত পাতলা হওয়া হৃদরোগের জন্য ভাল হতে পারে। কিন্তু যারা ইতিমধ্যেই রক্ত পাতলা করার জন্য ওষুধ খাচ্ছেন তাদের ক্ষেত্রে আমলকি খেলে রক্ত আরও পাতলা হয়ে যেতে পারে এবং রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।
কিছু মানুষের আমলকি খাওয়ার প্রতি অ্যালার্জি থাকতে পারে। বিশেষ করে যদি তাদের কিছু ফলের প্রতি অ্যালার্জি থাকে তাহলে আমলকি এড়িয়ে যাওয়ায় ভাল। এর ফলে চুলকানি, লালচে ভাব, ত্বকের ফুসকুড়ি এবং হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।