নিজস্ব প্রতিনিধি: রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে স্বদেশীয় বোটাফোগোকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে প্রথম দল হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিল ব্রাজিলের পালমেইরাস। শনিবার (২৮ জুন) রাতে ফিলাডেলফিয়ায় ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে দুর্দান্ত এক গোলে দলকে জয় এনে দেন পলিনহো। কোয়ার্টার ফাইনালে সাও পাওলোর ক্লাবটি মুখোমুখি হবে চেলসি ও বেনফিকার ম্যাচে জয়ীদের। শেষ ষোলোয় জায়গা পাওয়া ব্রাজিলের চারটি ক্লাবের মধ্যে একটি ক্লাব বিদায় নিল।
এদিন ফিলাডেলফিয়ায় শুরু থেকেই আগ্রাসী মেজাজে খেলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় পালমেইরাসের খেলোয়াড়রা। মরিসিও, এস্তেভাঁও এবং রিচার্ড রিওসরা একের পর এক আক্রমণের ঝড় তুলে বোটাফোগোর রক্ষণ ভাগের খেলোয়াড়দের নাভিঃশ্বাস তুলে দেন। প্রতিপক্ষের আক্রমণের মুখে তিন কাঠির নিচে দুর্ভেদ্য হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বোটাফোগোর গোলরক্ষক জন। বেশ কয়েকবার দলের নিশ্চিত পতন রোধ করেন তিনি। ম্যাচের প্রথমার্ধে বল দখল থেকে শুরু করে গোল লক্ষ্য করে শট নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক এগিয়েছিল পালমেইরাস। যদিও গোলশূণ্যভাবে শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে ফের গোলের জন্য ঝাঁপায় সাও পাওলোর ক্লাবটি। পালমেইরাসের আক্রমণ রুখতে রক্ষণাত্মক ভূমিকা নেয় বোটাফোগোর খেলোয়াড়রা। মাঝে-মধ্যে প্রতি আক্রমণে উঠলেও কাঙ্খিত গোলের দেখা পায়নি। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনও গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। আর সেখানেই জ্বলে ওঠেন পলিনহো। অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের ৯ মিনিটে মারলন ফ্রেইতাসকে ফাঁকি দিয়ে বোআফোগোর জালে বল জড়িয়ে সমর্থকদের মুখে হাসি ফোঁটান। যদিও ১১৬ মিনিটে বিশ্রিভাবে ফাউল করে লাল কার্ড দেখে মাঠের বাইরে যেতে হয় পালমেইরাসের গুস্তাভ গোমেজকে। ফলে শেষের ১৫ মিনিট ১০ জনে খেলতে হয় সাও পাওলোর ক্লাবটিকে। তবুও শেষ পর্যন্ত নিজেদের রক্ষণ অটুট রেখে জয় হাসিল করে মাঠ ছাড়ে।