নিজস্ব প্রতিনিধি, শ্রীনগর: পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলা মামলায় বড় সাফল্য এনআইএ’র। দক্ষিণ কাশ্মীরের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র পহেলগাঁওয়ে ২৫ জন হিন্দু পর্যটক ও এক স্থানীয় মুসলিম পনিচালককে হত্যার ঘটনায় কেঁপে উঠেছিল বিশ্ব। পাক মদতপুষ্ট লস্কর-ই-তৈবার ছায়া সংগঠন টিআরএফ’র সেই সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে এবার দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। অভিযুক্তদের নাম পারভেজ আহমেদ জোথার, সে পহেলগাঁওয়েরই বাটকোটের বাসিন্দা। অন্যজন বশির আহমেদ জোথার হিল পার্কের বাসিন্দা।
সর্বভারতীয় সূত্রে খবর, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হামলায় জড়িত তিন সশস্ত্র সন্ত্রাসীর পরিচয় প্রকাশ করেছে এবং নিশ্চিত করেছে যে তারা নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা (এলইটি) এর সঙ্গে যুক্ত পাকিস্তানি নাগরিক। যদিও পাকিস্তান এর আগে বলেছি, তাদের ,দেশে লস্কর-ই-তৈবার আর কোনও অস্তিত্ব নেই।
হামলার আগে পারভেজ এবং বশির পহেলগাঁও হামলার পরিকল্পনা সম্পর্কে সব জানত। জেনেশুনেই তারা তিন সশস্ত্র সন্ত্রাসীকে হিল পার্কের একটি ঘরে আশ্রয় দিয়েছিল। সন্ত্রাসীদের খাবার, আশ্রয় এবং লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করেছিল এই দুই ব্যক্তি। সন্ত্রাসীরা এতটাই নৃশংস ছিল যে তারা পর্যটকদের ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে বেছে বেছে হত্যা করেছিল। পহেলগাঁও হামলাকে এ যাবৎকালের সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার মধ্যে একটি বলে মনে করা হয়েছে। পর্যটকদের বাঁচাতে গিয়ে নিহত হন এক ধর্মপ্রাণ স্থানীয় প্রকৃত মুসলিম পনিচালক।
পারভেজ এবং বশিরকে ১৯৬৭ সালের বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের ১৯ নম্বর ধারার অধীনে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে। সব কিছু খতিয়ে দেখতে চাইছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা।