নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের পরবর্তী অধিকর্তা নিয়োগ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (পিএমও) শুরু হয়েছে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি।
বর্তমানে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের শীর্ষ পদে রয়েছেন ১৯৮৬ ব্যাচের কর্নাটক ক্যাডারের আইপিএস প্রবীণ সুদ। ২০২৩ সালের ২৫ মে তিনি অধিকর্তা হিসাবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। চলতি মাসের ২৫ তারিখ মেয়াদের দুই বছর পূর্ণ হওয়ায় অবসর নিচ্ছেন তিনি। নিয়মানুযায়ী, সিবিআইয়ের শীর্ষ পদে নিয়োগ চূড়ান্ত করে তিন সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি। কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও রয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। এদিন বৈঠকে যোগ দিতে সন্ধের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হাজির হন রাহুল গান্ধি।
সিবিআই অধিকর্তা নিয়োগ নিয়ে রাজনীতি করার অভিযোগ ওঠায় ২০১৯ সালে সুপ্রিম কোর্ট এক রায়ে জানায়, কর্মজীবনের মেয়াদ ৬ মাসের কম এমন কোনও আধিকারিককে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার শীর্ষ পদে বসানো যাবে না। দুই বছরের নিচে মেয়াদ হবে না সিবিআই অধিকর্তার এবং পদে থাকাকালীন তাঁকে যদি বদলি করতে হয়, তাহলে নিয়োগ কমিটির অনুমোদন নিতে হবে।
যদিও বিদায়ী সিবিআই অধিকর্তার নিয়োগ নিয়েও বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। কর্নাটক পুলিশের প্রধান হিসাবে ছিলেন প্রবীণ সুদ। পুলিশ মহলে বিজেপি ঘনিষ্ঠ হিসাবেই পরিচিত ছিলেন। রাজ্যে বিধানসভা ভোটের মুখে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা বর্তমান উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারের সঙ্গে বচসায়ও জড়িয়ে পড়েছিলেন। দক্ষিণী রাজ্যটিতে ক্ষমতার পালাবদলের পরেই সিবিআই অধিকর্তার পদে নিয়ে আসা হয় সুদকে।