নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি :পহেলগাঁও-র বৈসরন উপত্যকায় জঙ্গি হামলার পর থেকে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। জঙ্গি হামলার বদলা চায় গোটা দেশ। ভারতও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। পাকিস্তানকে প্রত্যাঘাতের নীল নকশা চূড়ান্ত করতে ইতিমধ্যেই বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রতিরক্ষা সচিবের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেছেন মোদি।
জঙ্গি হামালা জবাব দিতে প্রস্তুত ভারত। কিন্তু সেটা কোন পর্যায়ে উত্তর দেওয়া হবে সেই বিষয়টি ঠিক করতে একের পর এক বৈঠক চলছে। রবিবারই প্রধানমন্ত্রী বায়ু সেনাপ্রধান অমরপ্রীত সিংয়ের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তারপর দিনই প্রতিরক্ষা সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ যথেষ্ট ইঙ্গিতবাহী বলেই মনে করা হচ্ছে।
শত্রুদের চিহ্নিত করে সেনাকে বদলা নেওয়ার ছাড়পত্র আগেই দিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এবার আকাশ ও জলপথেও হামলা চালানো হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা, আরব সাগরে যুদ্ধের মহড়া ও যুদ্ধ জাহাজ মোতায়েন করার ফলে ঘুম উড়েছে পাকিস্তানের। এক কথায় ভারতের আগ্রাসনে আতঙ্কে কাঁপছে পাকিস্তান।
সীমান্তে ইতিমধ্যেই বেজে গিয়েছে যুদ্ধের দামামা। ১১দিন ধরে সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে সীমান্তে। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে গুলি ছুঁড়লেই পাল্টা জবাব দিতে পিছপা হচ্ছে না ভারতীয় সেনাও।
বৈসরন উপত্যকায় জঙ্গি হামলার পর থেকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই কূটনৈতিকস্তরে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে নয়দিল্লি। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কীভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা ঠিক করতে প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই তিনবাহিনী প্রধানদের সঙ্গে দেখা করেছেন।
ভারত ইতিমধ্যে পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধু জল চুক্তি এবং পাকিস্তানি নাগরিকদের ভিসা পরিষেবা স্থগিত করেছে। বিগত কয়েকদিনে প্রধানমন্ত্রী মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সহ শীর্ষ মন্ত্রী এবং নিরাপত্তার শীর্ষকর্তাদের একাধিক বৈঠক করেছে। সবদিক থেকে পাকিস্তানকে জবাব দিতে প্রস্তুত ভারত।