নিজস্ব প্রতিনিধি, ইটাহার : ইটাহারে তৃণমূলকর্মীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য। শনিবার সকালে শ্রীমতি নদীর পাড়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে সুব্রত দেবনাথ নামে এক তৃণমূলকর্মীকে। গৃহশিক্ষকতা মূলত তাঁর পেশা। পাশাপাশি জীবনবিমার এজেন্ট হিসেবেও কাজ করতেন তিনি।
জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বাড়িতে থাকাকালীন তাঁর কাছে একটি ফোন আসে। সেই ফোনে কথা বলার পরেই বাড়ি থেকে বেড়িয়ে যান সুব্রত দেবনাথ। কিন্তু সারা রাত বাড়ি ফেরেনি সে। বাড়ির লোক খোঁজ করেও মেলেনি তাঁকে। বাড়িতে না ফেরায় একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও লাভ হয়নি। বাড়ি থেকে বেড়িয়ে আশেপাশে খোঁজ করা হলেও মেলেনি খোঁজ। ইটাহারের জয়হাট পঞ্চায়েতের সোনাডাঙ্গি এলাকার বাসিন্দা সুব্রত দেবনাথ। শাসকদলের কর্মী হিসেবে পরিচয় রয়েছে এলাকায়।
শনিবার সকালে বাড়ির কাছেই শ্রীমতি নদীর ধারে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। তাঁরাই ইটাহার থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল হাসপাতালে।
পুলিশ সূত্রে খবর, দেহের একাধিক জায়াগায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। কোনও ভারী বস্তু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। আঘাতের জেরে থেতলে গিয়েছে শরীরের একাধিক অংশ। মৃত যুবকের পরিবার থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেছে। দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে পরিবার ও জয়হাট পঞ্চায়েতের প্রধান। অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয়েছে তদন্ত। রাতের বেলা কে বা কারা সুব্রতকে ফোন করেছিল,কল লিস্ট দেখে তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।