নিজস্ব প্রতিনিধি : বৈসরণে জঙ্গি হামলায় নিহত সমীর গুহ বাড়িতে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। শোকসন্তপ পরিবারের সঙ্গে কথাও বললেন তিনি। তাঁর সঙ্গে এদিন ছিলেন বেহালা পূর্বের বিধায়িকা রত্না চ্যাটার্জি। সমীর গুহের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে যন্ত্রণার কথা শুনেছেন।
তিনি বলেছেন, কাশ্মীর থেকে মৃতদের দেহ নিয়ে আসা হচ্ছে। এয়ার ইন্ডিয়র বিমানে কলকাতায় ফিরছেন তাঁরা। কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে বিমানবন্দর থেকে দেহ নিয়ে আসা হবে বাড়িতে। তাঁদের জন্য বিশেষ গাড়ির ব্যবস্থাও করা হয়েছে। মেয়র নিজেও উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন।
তাঁর কথায়, এই ঘটনা অত্যন্ত নক্কারজনক-দুঃখজনক। এটা কাপুরুষের কাজ। নিরিহ মানুষরে যাঁরা খুন করে তাঁরা কাপুরুষ ছাড়া কিছু নয়। এই প্রসঙ্গে তিনি টেনে এনেছেন পুলওয়ামার কথাও। বলেছেন, পুলওয়ামাতে যাঁরা হত্যা করেছিল, তাঁরা কাপুরুষ। এই ঘটনাতেও একই। কিন্তু যাঁদের অপদার্থতার জন্য এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে তাঁদেরও ধিক্কার।
তিনি আরও বলেছেন, বাংলার যে কয়জন এই হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের পাশে রয়েছে সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এই বিষয়ে গভীর উদ্বেগে রয়েছেন। কথাও বলেছেন। বিতান অধিকারীর পরিবারের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে। কিন্তু মানুষের প্রাণ ফিরিয়ে আনা যাবে না।
কেন্দ্রকে নিশানা করে তিনি বলেছেন, বাংলার মানুষ বেড়াতে ভালোবাসে। সবাই মনে করেছে কেন্দ্রীয় সরকারের নিরাপত্তা থাকবে। ৩৭০ বিলুপ্ত হয়েছে, সেনারা রয়েছেন, সেই ভরসাতে মানুষ গিয়েছে। কিন্তু সরকারের কথায় যদি ভরসা না মেলে তাহলে কোথায় মিলবে ভরসা। কেউ বেড়াতে গেলে একে ৪৭ নিয়ে যায় না। পরিবার নিয়ে মানুষ ঘুরতে যায়। তারপরে এই ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখের।
তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, আর্মি ইনটেলিজেন্স, সেন্ট্রাল ইনটেলিজেন্স কোথায়? এই অপদার্থতার মধ্যে ভারতের মানুষকে কেন ঠেলে দেওয়া হচ্ছে?
উল্লেখ্য, পহেলগাঁওর বৈসরণে জঙ্গি হামলায় অন্তত ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকেই।