নিজস্ব প্রতিনিধি : আলিপুরদুয়ারে কোটি টাকা নিয়ে দিনভর নাটকের পর অবশেষে খোঁজ মিলল মালিকের। স্বস্তিতে পুলিশও। লটারিতে জেতা কোটি টাকার মালিক আদতে কে, তা জানতে রীতিমত হিমশিম খেতে হয়েছে আলিপুরদুয়ারের পুলিশকে। অবশেষে মুশকিল আসান সিসিটিভি ফুটেজে।
সূত্রের খবর, আলিপুরদুয়ার শহরে দেড়শো টাকার বিনিময়ে পঁচিশ সিরিজের মাত্র কয়েকটি টিকিটে কোটি টাকা জয়ের পরে ঝামেলার সূচনা। ওই টাকার মালিকের দাবি নিয়ে ২ পক্ষ হাজির হয়েছিল থানায়। লটারিতে কোটি টাকা জিতেছেন বলে দাবি করে থানায় হাজির হন আলিপুরদুয়ারের ঘাগড়া এলাকার নারু চৌপথির বাসিন্দা সঞ্জীব ভগত নামে এক ব্যক্তি। পেশায় তিনি একজন দিনমজুর।
তাঁর অভিযোগ, তিনি একটি টিকিট কিনেছিলেন। নারু চৌপথিতে মানিক বর্মনের দোকানে টিকিট মেলাতে গেলে বিক্রেতা তাঁর হাতে তিন হাজার টাকা দিয়ে টিকিটটি নিয়ে নেন। সকালে বন্ধ মারফত জানতে পারেন তিনি কোটি টাকা জিতেছেন। কিন্তু ওই বিক্রেতা মানিক তাঁর টিকিট ফেরত দেয়নি। এরপরেই সমস্যা সমাধানে থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছে এজেন্ট থেকে শুরু করে খুচরো বিক্রেতাদেরও। পাশাপাশি যেখানে টিকিট মেলানো হয়েছে, সেই বিক্রেতাকেও তলব করে পুলিশ।
এরপরেই থানায় হাজির হন টাকার আরও এক দাবিদার। তথ্য সংস্কৃতি বিভাগের একজন অস্থায়ী কর্মী ললিত ওঁরাও জানান কোটি টাকা তাঁর। এরপরেই চরম বিরম্বনায় পড়ে পুলিশ। যে লটারির দোকান থেকে ওই পুরস্কারের টিকিট বিক্রি হয়েছিল, সেখানকার সিসি টিভি ফুটেজ যাচাই করে সমস্যার সমাধান করে পুলিশ। সিসিটিভিতে দেখা গিয়েছে ললিতই আসল দাবিদার। শেষ পর্যন্ত নিজের নিজের ভুল বুঝতে পেরে পুলিশের কাছে মুচলেকা দিতে বাধ্য হন কোটি টাকার প্রথম দাবিদার সঞ্জীব ভগত। কোটি টাকা ফিরে পেয়ে পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ললিত ওঁরাও।