নিজস্ব প্রতিনিধি, চেন্নাই: শুরুটা ভাল করেও আফগান স্পিনার নূর আহমেদের ঘূর্ণির ফাঁদে পড়ে বড় রানের ইনিংস গড়তে পারলেন না বিরাট কোহলিরা। শুক্রবার (২৮ মার্চ) চিপক স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে সাত উইকেট খুঁইয়ে ১৯৭ রান তুলেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছেন অধিনায়ক রজত পাতিদার (৫১)। চেন্নাই সুপার কিংসের সফলতম বোলার নূর আহমেদ ৩৬ রানে তিন উইকেট নিয়েছেন।
ঘরের মাঠে এদিন টসে জিতে প্রথমে বেঙ্গালুরুকে ব্যাট করতে পাঠান চেন্নাই অধিনায়ক ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। শুরু থেকেই আগ্রাসী মেজাজে ব্যাট করতে শুরু করেন প্রথম ম্যাচে ইডেনে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে নাকানিচোবানি খাওয়ানো ফিল সল্ট। তাঁর আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন চেন্নাইয়ের রবিচন্দ্রন অশ্বিন-খলিল আমেদরা। যদিও সল্টকে বেশিদূর এগোতে দেননি চেন্নাইয়ের উইকেটরক্ষক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। পঞ্চম ওভারে স্পিনার নূর আহমেদের গুগলিতে পরাস্ত হওয়া সল্টকে চকিত গতিতে স্টাম্প করেন। ১৬ বলে ৩২ রান করে ফেরেন ইংলিশ ব্যাটার। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ভালই শুরু করেছিলেন দেবদত্ত পাডিক্কাল। কিন্তু অশ্বিনের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ঋতুরাজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। আউটের আগে করেন ১৪ বলে ২৭ রান। এর পরে বিরাট কোহলি ও বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক রজত পাতিদার জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। দুজনে দলকে একশো রানের গণ্ডি পার করিয়ে দেন।
যদিও চিপকের মাঠে ফের এদিন ব্যর্থ হন বিরাট কোহলি। দেখেশুনে খেলেও বেশিদূর এগোতে পারলেন না। নূর আহমেদের বলে রাচিন রবীন্দ্রের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন ৩১ রানে। লিয়াম লিভিংস্টোনকে নিয়ে বড় রানের ইনিংস গড়ার চেষ্টা করেছিলেন বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক। কিন্তু লিভিংস্টোনকে (১০) বোল্ড করে সেই সম্ভাবনায় জল ঢেলে দেন নূর। একা কুম্ভ হয়ে লড়াই চালাতে থাকেন রজত পাতিদার। ৩০ বলে নিজের অর্ধশতরান পূর্ণ করেন আরসিবির অধিনায়ক। খলিল আহমেদের বলে রবীন্দ্র জাদেজার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হলেন জিতেশ শর্মা (১২)। পরের ওভারে মাথিশা পাথিরানার বলে ফিরলেন রজতও (৫১)। তিন বলে শূন্য করে ফিরলেন ক্রুনাল পাণ্ড্য। তাঁকে আউট করলেন পাথিরানা। শেষের দিকে টিম ডেভি চালিয়ে খেলে দলকে ১৯৭ রানে পৌঁছে দেন। তিনি অপরাজিত থাকেন ৮ বলে ২২ রান করে।