নিজস্ব প্রতিনিধি : শাস্ত্র অনুযায়ী দেবী সরস্বতী হলেন বিদ্যার দেবী। সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মার মুখগহ্বর থেকে জন্ম হয়েছিল বিদ্যার দেবীর।শ্বেতপদ্মে আসীন দেবীর পরনে থাকে শ্বেতশুভ্র বস্ত্র। চার হাতে থাকে বীণা, রুদ্রাক্ষ ও পুস্তক। এই প্রত্যেকটির ভিন্ন ভিন্ন অর্থ আছে। এখানে জল হল নির্মলতা বা শুদ্ধতার প্রতীক। পুস্তক বেদের কারক। জপমালা মনসংযোগ ও আধ্যাত্মিকতার কারক। বীণা সঙ্গীত বা ছন্দের কারক। বিদ্যার দেবীকে দেখা যায় শ্বেতশুভ্র রাজহাঁসের পিঠে। শাস্ত্র মতে, ২৪ ঘণ্টায় একবার আমাদের জিভে অবস্থান করেন দেবী সরস্বতী। বলা হয় এই সময় আমরা মুখ দিয়ে যাই বলি না কেন, তা সত্যি হয়।
শাস্ত্র অনুসারে সারা দিনে একবার আমাদের সবার জিহ্বায় মা সরস্বতী অধিষ্ঠান করেন। ওই সময় আমাদের বলা সব কথাই নিশ্চিত ভাবে সত্যি হয়। দিনের ওই সময়টাই আমাদের জিভে মা সরস্বতীর বাস। তাই ওইসময় আশির্বাদ হোক বা অভিশাপ মুখ দিয়ে যা উচ্চারণ হবে তাই সত্যিই হয়ে যায়। তাই এই সময়টা সতর্ক থাকুন।
আরও পড়ুন : ভাল সময় আসছে, এই ইঙ্গিত গুলো পেয়েছেন ?
সনাতন ধর্ম অনুসারে ব্রাহ্ম মুহূর্ত হল দিনের সবথেকে শুভ সময়। রাত তিনটের পর সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত সময়টা হল ব্রাহ্ম মুহূর্ত। রাত ৩টে থেকে ভোর সাড়ে চারটে পর্যন্ত সময়কে ব্রাহ্ম মুহূর্ত বলে মনে করা হয়। এই সময়ই বিদ্যার দেবী সরস্বতী জিভে অবস্থান করেন। বলা হয় এই সময় বলা প্রতিটি শব্দ সত্যি হয়। তাই এইসময় বুঝেশুনে কথা বলা উচিত।