নিজস্ব প্রতিনিধি : হাজার বছর পার হয়ে গিয়েছে। এখনও বড়দিনের প্রাক্কালে দরজায় দরজায় শোনা যায় ক্যারোলের সুর। এই সুর শুনলেই মনে হয় নতুন কিছু সুচনা হতে চলেছে। এই সুরের তালে মেতে উঠেছে বিশ্ববাসী। ঐতিহ্যগতভাবে বড়দিনে গাওয়া হয়ে থাকে ক্যারোল। যাকে চার্চ সঙ্গীতও বলা হয়।ক্রিসমাস ক্যারোলকে নোয়েলও বলা হয়ে থাকে।জানেন কী এর অর্থ কী? কেন গাওয়া হয় এই গান ?
ক্রিসমাস গানগুলি প্রাথমিকভাবে ল্যাটিনে রচিত হয়েছিল, যে গুলোকে স্তবগান বলা হত। ক্রিসমাস ক্যারোলকে নোয়েলও বলা হয়।ক্রিসমাসের থিমের উপর ভিত্তি করে লেখা গানগুলি, ঐতিহ্যগতভাবে বড়দিনে এই বিশেষ গান গাওয়া হয়ে থাকে। ক্রিসমাস ক্যারোল ইউরোপে হাজার বছর আগে প্রথম গাওয়া হয়। সেই সময় এগুলি সাধারণত চার্চের বদলে বাড়িতেই গাওয়া হত ভ্রমণ গায়ক বা বাউলরা এই ক্যারোল গাওয়া শুরু করেন এবং যেখানেই তারা ভ্রমণ করতেন সেখানকার স্থানীয় লোকেদের জন্য গানের লাইন পাল্টে দিতেন।এর সঙ্গে আষ্টপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে সাহেব সংস্কৃতি।
খ্রিষ্টীয় উত্সব ক্যারোল ছাড়া সম্পন্ন হয় না। বলা যেতে পারে এই উত্সবের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল ক্যারোল। কথিত আছে যে, যিশুর জন্ম সঙ্গীতের সঙ্গে পালিত হয়েছিল। প্রথম শতাব্দী থেকেই ক্রিস্টানদের মধ্যে দেবদূতের ঐতিহ্য অব্যাহত রেখে এই ক্যারোল বা আনন্দের স্তবগান গাওয়া হত। জানা যায়, এই ক্রিসমাসের শুরুর দিকে প্রাথমিকভাবে ল্যাটিনে স্তবগান গাওয়া হত। তখন ক্যারোল বলে কিছু ছিল না। এই স্তোত্রবন্দনাগুলি রচিত হয়েছিল খ্রিষ্টীয় চতুর্থ শতাব্দীর রোমে।
আরও পড়ুন : কেন ২৫ ডিসেম্বর দিনটি বড়দিন হিসেবে পালিত হয় ? ৯৯% মানুষ জানে না….
কারা এই ক্রিসমাস ক্যারোলস গেয়েছিলেন জানা আছে কী ? এই ক্যারোলস জনপ্রিয় হয়ে ওঠার আগে, ‘ওয়েটস’ নামক সরকারি সংকীর্তন গায়করা এই গান গাইতেন, কারণ তারা শুধুমাত্র ক্রিসমাস ইভেন্টেই এই গান গাইতেন। এই ওয়েটসদের, ওয়েটনাইট বা ওয়াচনাইটও বলা হত কারণ, মনে করা হয়ে থাকে যে এরা, সেই সকল মেষপালক যারা মেষ দেখভাল করছিলেন যখন দেবদূতের আগমন হয়েছিল।
আরও পড়ুন : পার্লারে যেতে হবে না, জানুন বড়দিনের পার্টিতে কীভাবে সাজবেন ?