নিজস্ব প্রতিনিধি : নিত্যদিন অফিসে থেকে আসার পর যখন দেখেন ঘরের সব জিনিসপত্র এদিক-ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। সারাদিন অফিস করার পর বাড়ির এমন হাল দেখলে সকলের মাথা গরম হয়ে যায়। এদিকে শরীর যেন ক্লান্ত। কিন্তু ঘর পরিস্কার না রাখলেও নয়। তাই শখের খাওয়া-ঘুম সব ত্যাগ করে আগেই লেগে পড়েন ঘর গুছোতে। আর কিছু সময়। এরপরই আসছে বড়দিন। বাড়িতে আড্ডার আসর বসছে ? আপনিও কী অফিস সামলানোর পর ঘর সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন ? তবে মাথা গরম না করে শিখে রাখুন এই টিপসগুলো।
নিনজা টেকনিক : সুন্দরভাবে জামাকাপড় গুছিয়ে রাখতে গেলে আপনাকে এই নিনজা টেকনিক ফলো করতে হবে। প্রথমে জামাকাপড় ভাল করে গুছিয়ে নিন।যে সব রোজের ব্যবহারের জামাকাপড় সেগুলো এক দিকে রাখুন, আর যেগুলো মাঝেমধ্যে পরেন, বিশেষ দিনে পরেন, সেগুলো আলাদা করে রাখুন। একই রঙের নানা শেডের জামাকাপড় পর পর রাখুন।টপ, শার্ট ঝুলিয়ে রাখুন।
যে সব জামাকাপড় ইস্ত্রি করা দরকার, সেগুলো ইস্ত্রি করেই আলমারিতে রাখুন। আলমারিতে জামাকাপড় রাখাও বড় কাজ। সেটার সময় না থাকলে একটি লন্ড্রি ব্যাগে রেখে দিন।
ড্রেসিং টেবিল গুছিয়ে নিন : আজকাল বাজারে অনেক বক্স ও ব্যাগ কিনতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে প্রসাধনী, ওষুধ ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রে রেখে দিন।এতে সেগুলোর উপর ধুলো পড়বে না এবং হারাবেও না। যখনই দরকার হাতের কাছে পাবেন।
ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের সাহায্য নিন : খাটের তলা সোফার পিছন, আলমারির পিছন নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না। আর এই সব জায়গাতেই সবচেয়ে বেশি নোংরা জমে। এক্ষেত্রে ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের সাহায্য নিন। ভ্যাকুয়াম ক্লিনার না থাকলে সরু ঝাঁটা ব্যবহার করে পরিষ্কার করে নিন।
বিছানা গুছিয়ে রাখুন : প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার আগে বিছানা গুছিয়ে যান। যেগুলো কাচতে হবে সেই জিনিসগুলো আলাদা করে রাখুন। বাকিগুলো গুছিয়ে রাখুন। সপ্তাহে দুদিন বিছানার চাদর, বালিশের কভার বদলান।
হু হু করে বাড়বে দারিদ্র্যতা,বাড়িতে ভুলেও ফাঁকা রাখবেন না এই জিনিসগুলো…
ড্রয়ার ও সেলফ : ঘরের চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বই, কাগজপত্র একটি ড্রয়ারে বা বুক সেলফে রাখতে পারেন। এতে ঘরের সৌন্দর্য বাড়বে আবার হাতের কাছে সব পেয়ে যাবেন।