নিজস্ব প্রতিনিধিঃ জয়নগরে ধর্ষণ এবং খুন কাণ্ডে দোষীকে ফাঁসির সাজা দিয়েছে বারুইপুর আদালত। যা একেবারে নজিরবিহীন ঘটনা। ইতিমধ্যেই আদালতের রায়দানের পরেই মুখ্যমন্ত্রী তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে পুলিশের তৎপরতা নিয়ে ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। সেইসঙ্গে আরজি কর নিয়ে আক্ষেপের সুর শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রীর গলায়।
এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি মা-বাবাকে বলেছিলাম, একমাস সময় দিন। বিচার হবেই। তার পর না হলে তখন সিবিআই দিতে। কিন্তু তার আগেই সিবিআইয়ের হাতে চলে গেল তদন্তভার।‘ সেইসঙ্গে এই ঘটনাকে ঘিরে যে নাগরিক আন্দোলন রাস্তায় নেমেছিল তা নিয়েও মন্তব্য করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ‘আন্দোলন কেউ করতেই পারে, সেটা গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু এই আন্দোলন যে রাজনৈতিক ছিল, তা তো প্রমাণিত হয়ে গিয়েছে। ‘
উল্লেখ্য আরজি করে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনা প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছিল আমজনতা। একের পর এক হয়েছিল ‘ রাত দখল কর্মসূচী’ । বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সেইসময় এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে রাস্তায় নেমেছিল। কাঠগড়ায় তুলেছিল রাজ্য সরকারকে। আর তাতেই আরজি কর কাণ্ড নিয়ে রাজ্য পুলিশের হাত থেকে তদন্তভার চলে যায় সিবিআইয়ের হাতে। টানা চার মাস কেটে গেলেও এখন পর্যন্ত কোন নির্যাতিতার বিচার দিয়ে পারেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অন্যদিকে, জয়নগর কাণ্ডে পুলিশি তদন্তের ওপর নির্ভর করে ৬২ দিনের মাথায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত ও শাস্তি ঘোষণা করে দিল আদালত।