নিজস্ব প্রতিনিধি: সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ভারতের আধুনিক প্রজন্মের দম্পতিরা একটির বেশি সন্তান নেওয়ার বিষয়ে অনীহা প্রকাশ করছেন। এই ধারা চলতে থাকলে জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট হবে বলেও মন্তব্য করেছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু। একইভাবে হিন্দু জনসংখ্যা বৃদ্ধির উপর জোর দিতে বলেছিলেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন। এবার একই সুর শোনা গেল, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)-এর প্রধান মোহন ভাগবতের(Mohan Bhagwat) গলায়।
আরও পড়ুনঃ ডিসেম্বরের শুরুতেই পালটি খেল আবহাওয়া, চড়ল তাপমাত্রার পারদ, শীতের প্রকোপ তবে কি উধাও?
এদিন এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার হ্রাসের বিষয়টি যথেষ্ট উদ্বেগের। দুই বা তার কম সন্তান নেওয়া হলে পরবর্তীতে তা একটি গোটা জাতির বিলুপ্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। কমপক্ষে দম্পতিদের তিনটি বা তার বেশি সন্তান নেওয়া প্রয়োজন নচেৎ একসময় জনসংকটে ভুগতে হবে গোটা সম্প্রদায়কে।
মোহন ভাগবত এদিন আরও বলেন আমাদের দেশের জনসংখ্যা নির্ধারণ নীতি নির্ধারিত হয়েছিল ১৯৯৮ থেকে ২০০২ সালে। তখন পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল। কিন্তু ইদানিং দম্পতিরা দুটির বেশি সন্তান নিতে আগ্রহী হচ্ছেন না। এদিকে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ২.১ এর নিচে হওয়া উচিত নয়। এই সংখ্যাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এটি সমাজে বেঁচে থাকার জন্য আগামীদিনে সাহায্য করবে। ২.১ সূচকের অর্থ হল একজন মহিলা তাঁর জীবদ্দশায় দুইয়ের বেশি সন্তানের জন্ম দেবেন। জনসংখ্যাবিদরাও একই পরামর্শ দিচ্ছেন।তাঁদের অনুমান, ২০৩০ সালের মধ্যে সবচেয়ে বেশি যুব জনসংখ্যার দেশ হিসেবে পরিগণিত হবে। কিন্তু তারপরই শুরু হবে যুব জনসংখ্যা সংকট। তাই সন্তান জন্মের হার বাড়ানো উচিত বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।