নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: আশঙ্কাই সত্যি হল। বাংলাদেশকে মুসলিম রাষ্ট্র করার সুগভীর ষড়যন্ত্র নিয়েই যে জুলাই-অগস্টের কোটা সংস্কার আন্দোলন সংগঠিত হয়েছিল, তা ক্রমশই প্রকাশ হয়ে পড়ছে। সংবিধান থেকে ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দ বাদ দেওয়ার দাবি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হল পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের মদতপুষ্ঠ অন্তর্বর্তী সরকার।
বুধবার (১৩ নভেম্বর) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশিস রায় চৌধুরীর ডিভিশন বেঞ্চে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের আর্জি নিয়ে শুনানি ছিল। ওই শুনানিতেই সংবিধান থেকে ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ ও ‘সমাজতন্ত্র’ বাদ দেওয়ার দাবি জানান অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। কেন ওই দুই শব্দ বাদ দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন তা তুলে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সংবিধানে ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দ রাখার কোনও দরকার নেই। এই দেশের ৯০ শতাংশ নাগররিক মুসলমান। আগে ‘আল্লাহর প্রতি অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস’-এর কথা ছিল। এটা যেভাবে আগে ছিল সেভাবে চাচ্ছি।’ অর্থাৎ বাংলাদেশে যে আফগানিস্তানের মতো তালিবান শাসন প্রতিষ্ঠা লক্ষ্য, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন মোল্লা ইউনূস সরকারের প্রধান আইনি কর্মকর্তা।
বিস্তারিত আসছে……