নিজস্ব প্রতিনিধি: আর কিছুক্ষণ পর থেকেই যেমন আইএসএল শুরু হবে তেমনই খেলার বাইরেও আনোয়ারকে নিয়ে ঘটে চলেছে নানা ঘটনা। এবারে আনোয়ার, ইস্টবেঙ্গল ও দিল্লি এফসির যৌথ আবেদনে আজ দিল্লি হাইকোর্টে ছিল শুনানি। আর শুনানির রায়ও শোনাল আদালত। প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটি আনোয়ারকে যে চার মাসের জন্য নির্বাসিত করেছিল, সেই নির্বাসন খারিজ করল আদালত। সেই সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলার জন্য আনোয়ারকে যে এনওসি দিয়েছিল পিএসসি সেই এনওসি-ও খারিজ করে আদালত।
আনোরকে নিয়ে জটের পর জট। মোহনবাগানের সঙ্গে চুক্তি বিচ্ছিন্ন করে লাল-হলুদ শিবিরে যান আনোয়ার। এই বিষয় পিএসসি পর্যন্ত গড়ালে কমিটি আনোয়ারকে চার মাসের জন্য নির্বাসিত করে। সেই সঙ্গে আনোয়ারকে, দিল্লি এফসিকে ও ইস্টবেঙ্গলকে ১২.৯০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বলে। এইবারে এই বিষয়টি বিচারপতি সঞ্জীব নারুলার বেঞ্চে ওঠে। বিচারপতি জানতে চান কোন কোন কারণের উপর ভিত্তি করে এই নির্বাসন দেওয়া হয় তা কি কোনো লিখিত আকারে জানানো হয়েছে? কিন্তু ফেডারেশনের আইনজীবি জানান এখনও লিখিত আকারে তা জানানো হয়নি। লিখিত আকারে কারণ জানানো ছাড়া এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না তা আদালত জানিয়ে দেয়। তাই নির্বাসনের শাস্তি আদালত খারিজ করে।
এরপর মধ্যাহ্ণ ভোজের বিরতির পর আদালত আরও একটি রায় শোনায়। আনোয়ার এনওসি-র ভিত্তিতে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তিপত্রে সই করেন সেই এনওসিও বাতিল করে। অর্থাৎ আনোয়ার বর্তমানে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল কোনও দলেরই খেলোয়াড় রইল না। আদালত পিএসসি-কে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় শনিবার নতুন করে আনোয়ারের আবেদন শুনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।