নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সুপ্রিম কোর্টে চলছে আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার শুনানি। মঙ্গলবার সেই শুনানি চলাকালীন সময় জাতীয় টাস্ক ফোর্স গঠন করল সুপ্রিম কোর্ট। আর এই টাস্ক ফোর্স গোটা দেশে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করবে।শুধু তাই নয় কী কী পদক্ষেপ করা উচিত, সেই নিয়ে নিজেদের মতামত জানাবে এই টাস্ক ফোর্স।
এই প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, ‘চিকিৎসকদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে সাত জনের জাতীয় টাস্ক ফোর্স তৈরি হবে। যাতে মহিলারা আরও বেশি করে কাজে যোগদানে উৎসাহ পান, সে দিকে নজর দিতে পারে।‘ টাস্ক ফোর্সের অতিরিক্ত সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন নিমহ্যান্স বেঙ্গালুরুর ডাঃ প্রতিমা মূর্তি, এইমস যোধপুরের ডাঃ গোবর্ধন দত্ত পুরী এবং দিল্লির গঙ্গারাম হাসপাতালের ডাঃ সোমিকরা রাওয়াত। জেজে গ্রুপ অফ হসপিটালসের ডাঃ পল্লবী সাপেল এবং গুরগাঁওয়ের পারস হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের চেয়ারপার্সন ডাঃ পদ্মা শ্রীবাস্তব । পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকা সব হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজ, স্বাস্থ্য পরিষেবা কেন্দ্রে নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশও দিয়েছে।
এদিন মামলার শুনানির শুরুতেই প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। তিনি জানতে চান যখন হাসপাতালে ভাঙচুর হচ্ছিল তখন পুলিশ কী করছিল। শুধু তাই নয় শীর্ষ আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছেন, এটা কেবল কলকাতা নয় গোটা দেশের চিকিৎসকদের নিরাপত্তার বিষয়। ঘটনার পরে কী করছিলেন হাসপাতালের প্রিন্সিপাল।সন্দীপ ঘোষ আরজি করের অধ্যক্ষ পদে ইস্তফা দেওয়ার পর এত তাড়াতাড়ি কী ভাবে আবার অন্য কোথাও যোগ দিলেন ? প্রশ্ন তোলেন প্রধান বিচারপতি।
উল্লেখ্য, আরজি কর কাণ্ড নিয়ে প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পর্দিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চে এদিন এই ঘটনার শুনানি হয়। বৃহস্পতিবারের মধ্যে সিবিআইকে স্টেটাস রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ায় হয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ২২ অগস্ট।