নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের মৃত ছাত্রীর সোদপুরের বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার নিহত ছাত্রীর বাবা, মায়ের সঙ্গে কথা বলার পর নিহত পরিবারের পাশে থাকার তিনি বার্তা দেন । পাশাপাশি স্পষ্টভাবে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন,’ যেই এই ঘটনায় জড়িত তাদেরকে দেওয়া হবে শাস্তি। রবিবারের মধ্যে পুলিশ তদন্ত শেষ করতে না পারলে সিবিআইকে তদন্তভার দেওয়া হবে ।‘
উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা ছিলেন আরজি করের ওই নিহত মহিলা চিকিৎসক। গত শুক্রবার তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। এই ঘটনার পরেই নিহত চিকিৎসকের পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর এবার তিনি সরাসরি বাড়ি গিয়ে নিহত মহিলা চিকিৎসকের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন । বেরিয়ে বলেন,’ পুলিশ না পারলে তদন্ত করবে সিবিআই। যদিও সিবিআইয়ের সাফল্যের হার খুব কম। রবীন্দ্রনাথের নোবেল পুরস্কার চুরি যাওয়ার মামলাও সিবিআইকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তার কিনারা হয়নি।‘
অন্যদিকে এই খুন এবং ধর্ষণের ঘটনার খবর পাওয়ার পরেই মমতা বলেছিলেন, এই ঘটনায় ফাস্টট্র্যাক আদালতে ফাঁসির আবেদন জানানো উচিত। আর এদিনও ফের সেকথা জানান মমতা। চিকিৎসকের মৃত্যুকে ‘অমানবিক’ বলে মন্তব্য করে আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের তিনি পাশেও দাঁড়িয়েছিলেন । বললেন, ‘জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবির সঙ্গে একমত। তারা যে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, তা সঙ্গত বলেই আমি মনে করি।‘ পাশাপাশি আরজি কর হাসপাতালের অধ্যক্ষের পদত্যাগ নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বললেন, ‘আজ অধ্যক্ষ নিজেই ইস্তফা দিয়ে দিয়েছেন। উনি বলছিলেন যে আমার বাড়িতেও বাচ্চারা আছে। আমরা ওনাকে বুঝিয়ে বলেছি ঠিক আছে কাজ করতে হবে না। আমরা ওনাকে সরিয়েছি অন্য জায়গায়। ‘
উল্লেখ্য, আরজি করের ঘটনায় ইতিমধ্যেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে অভিযুক্তকে। শুরু হয়েছে তদন্ত। হাসপাতালের পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। শুধু তাই নয় আরজি কর হাসপাতালে যুবতী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করার ঘটনায় তাঁর চার সহকর্মীকে এদিন তলব করেছে লালবাজার। তাঁদের কয়েকটি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় পুলিশ।