আন্তর্জাতিক ডেস্ক : হামাসের প্রধান হানিয়ার মৃত্যুর পর থেকেই ইজরায়েলকে প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। হামলার হুঁশিয়ারি আসছে ইরান সমর্থিত লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের থেকেও। তাই নিয়ে সতর্ক থাকতে চাইছে ইজরায়েল।আগাম হামলার অনুমোদনও দিতে পারে ইজরায়েল। মিত্র দেশ ইজরায়েলকে সুরক্ষা দিতে ইরানকে এই ধরনের হুমকি থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন বাইডেন। যদিও এই নিয়ে ইরান ও হামাস তাঁদের প্রতিক্রিয়া জানায় নি। এমতাবস্থায় বেশ খানিকটা চাপের মুখে ইজরায়েল। এবার এই নিয়ে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা দলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
এই বৈঠকে বাইডেন জানিয়েছেন, হামলা রুখতে ইজরায়েলকে সহযোগিতার জন্য কী ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র কতটা সাহায্য করতে প্রস্তুত ইজরায়েলকে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে এই বৈঠকে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন জানিয়েছেন, উত্তেজনা এড়াতে কর্মকর্তারা সর্বদা কাজ করে চলেছেন।
বৈঠকের পর এক বিবৃতিতে বাইডেন জানিয়েছেন, ‘ইরান ও তাদের মিত্র দেশগুলোর হুমকি নিয়ে তাঁরা নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন।আঞ্চলিক উত্তেজনা যাতে না ছড়ায় তাই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা করা হচ্ছে তাঁদের তরফে। পাশাপাশি হামলা প্রতিরোধ করতে ইজরায়েলকে যতটা সম্ভব সহযোগিতার প্রস্তুতিও শুরু করা হয়েছে।’
ইরান প্রতিশোধমূলক হামলা চালাতে পারে ইজরায়েলের ওপর, এমন আশঙ্কা নিয়ে সোমবার (৫ আগস্ট) বৈঠক হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে। বৈঠকে বিশ্বের সাত শিল্পোন্নত দেশের জোট জি-৭ এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কনফারেন্স করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টোনি ব্লিঙ্কেন। তাঁদের সতর্কও করেছিলেন তিনি।
দেশটির (ইজরায়েল)সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকার ইজরায়েলের মাটিতে আক্রমণ প্রতিরোধ করার পরিকল্পনা করছে।এই হামলা প্রতিরোধ করতে ইরানের উপর একটি আগাম হামলার অনুমতি দিতে পারে। যদিও এই নিয়ে আর কিছু বিস্তারিত জানায় নি ইজরায়েল। অন্যদিকে গোটা ঘটনাটি নিয়ে আপাতত চুপ রয়েছে ইরান। তবে ইরানের হুঁশিয়ারি বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছে এত সহজে ছেড়ে দেবে না ইরান। তবে ইজরায়েলে হামলা নিয়েও নতুন করে কিছু শোনা যায় নি ইরানের কাছ থেকে।তবে বিষয়টা নিয়ে চাপে রয়েছে বাইডেন। হামলা প্রতিরোধ করতে ইজরায়েলকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।