আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গাজায় এখনও পর্যন্ত হামলা অব্যাহত রেখেছে ইজরায়েল। সদ্যই ইরানের মাটিতে নিহত হয়েছেন হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়া। এই নিয়ে ইরান, হামাস সহ ও অন্যান্য মিত্র দেশগুলি এই মৃত্যুর জন্য দায়ী করেছিল ইজরায়েলকে।যদিও এই নিয়ে সরাসরি কোন মন্তব্য করে নি ইজরায়েল। তবে তদন্তে উঠে এসেছিল হানিয়ার মৃত্যুর পেছনে রয়েছে ইজরায়েলি তদন্তকারী সংস্থা ‘মোসাদ’। তবে এই ক্ষোভ ইজরায়েল হামাস সংঘর্ষকে আরও চুড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যাবে বলে মনে করছে বিশ্লেষকরা।হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়ার হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের নেতারা। এমতাবস্থায় মুখ খুললেন বাইডেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানালেন, এই ধরনের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে । হানিয়ার হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি থেকে ইরান সরে দাঁড়ানো নিয়ে বাইডেন জানান, ‘আমি তাই আশা করি। কিন্তু আমি জানি না।’
অন্যদিকে ইজরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় বেইট হিল্লেলে একটার পর একটা রকেট হামলা চালিয়েছে লেবাননের সশস্ত্রগোষ্ঠী হিজবুল্লাহ(ইরান সমর্থিত গোষ্ঠী)। মঙ্গলবার(৩০ আগস্ট)লেবাননের রাজধানী বৈরুতে একটি জনবহুল এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েল। এতে হিজবুল্লাহর এক সর্বোচ্চ সামরিক কমান্ডার প্রাণ হারিয়েছিলেন। এর পরেই ক্ষিপ্ত হয়েছে হিজবু্ল্লাহ। আবার সদ্যই নিহত হয়েছে হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়া। বিষয়টাকে ভালভাবে নিচ্ছে না হামাস।
ক্রমে ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে ইজরায়েলর সঙ্গে হামাস ও হিজবুল্লাহ সংঘর্ষ। এই সংঘর্ষ ভয়াবহ পরিণতির দিকে এগোতে পারে বলে মনে করছে বিশ্লেষকরা।