কেন্দ্রের RSS ছাড়ে সায় নেই রাজ্যের, সরকারি কর্মচারীদের জন্য বহাল থাকছে নিষেধাজ্ঞা

বাংলায় রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও আধিকারিকেরা কেউই RSS করতে পারবেন না বা তার সদস্য হতে পারবেন না। কেন্দ্রের ছাড়ে সায় নেই রাজ্যের।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: নরেন্দ্র মোদি(Narendra Modi) নন, ইন্দিরা গান্ধির(Indira Gandhi) পাশেই থাকলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। সম্প্রতি কেন্দ্র সরকার জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও আধিকারিকেরা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ বা RSS করতে পারবেন তাঁদের চাকরি বজায় রেখেই। এই সংক্রান্ত পুরাতন যে নিষেধাজ্ঞা ছিল তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। কিন্তু বাংলায়(Bengal) উল্টো ছবি। এখানে রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও আধিকারিকদের জন্য বহাল থাকছে আগেকার নিষেধাজ্ঞা। অর্থাৎ রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা বা আধিকারিকেরা কেউই RSS করতে পারবেন না বা তার সদস্য হতে পারবেন না। যদিও প্রশ্ন উঠেছে, যেখানে কেন্দ্র এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিয়েছে সেখানে রাজ্য সরকার কেন এই নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখছে। বিজেপি সূত্রে খবর এই প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করার কথা ভাবা হচ্ছে। তবে তা রাজ্য বিজেপির পক্ষ থেকে করা হবে না। করা হবে কোনও সঙ্ঘ নেতার মাধ্যমেই।

আরও পড়ুন রাজ্য সরকারি কর্মীদের Self-Appreciation Report জমা করার সময়সীমা বৃদ্ধি

ইন্দিরা গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ১৯৬৬ সালের ৩০ নভেম্বর কেন্দ্রীয় সরকার এক বিজ্ঞপ্তি মারফত কেন্দ্রীয় কর্মীদের RSS এবং জামাত-ই-ইসলামির সঙ্গে যুক্ত থাকার ব্যাপারে নিষোধাজ্ঞা জারি করে। ইন্দিরা জামানাতেই, ১৯৭০ সালের ২৫ জুলাই এবং ১৯৮০ সালের ২৮ অক্টোবর কেন্দ্রীয় সরকার এই সংক্রান্ত পৃথক আরও দুটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে। ১৯৬৬ সালের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় নতুন একটি ধর্মীয় সংগঠনও যুক্ত হয়, তার নাম আনন্দমার্গ। এই কারণে রাজ্য সরকার তার কর্মীদের জন্য নিষিদ্ধ হিসেবে যে ৩টি সংগঠনকে চিহ্নিত করেছিল তার মধ্যে আনন্দমার্গের নামও ছিল। গত ৯ জুলাই কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মিবর্গ মন্ত্রক আগের তিনটি বিজ্ঞপ্তির উল্লেখসহ একটি নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করে। নতুন বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, কেন্দ্রীয় কর্মীদের জন্য নিষিদ্ধ সংগঠনের তালিকায় RSS আর থাকছে না। বাকি দুটি সংগঠনের কোনও উল্লেখ না-থাকায় স্বাভাবিকভাবেই মনে করা হচ্ছে, সেগুলি নিষোধাজ্ঞার আওতায় থেকে যাবে।  

আরও পড়ুন নির্মলার বাজেটে জায়গা পায়নি Ghatal Master Plan, আন্দোলনে নামছে তৃণমূল

তবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের RSS করার ওপর বিধিনিষেধটি থেকেই যাচ্ছে। কারণ ১৯৮১ সালের ১৩ জুলাই রাজ্যের অর্থ দফতর এক বিজ্ঞপ্তি জারিসহ(৫২২২ এফ) ওই নিষোধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। প্রশাসনিক মহলের মতে, যেহেতু পরবর্তীকালে এই সংক্রান্ত কোনও নির্দেশিকা রাজ্য সরকার জারি করেনি, তাই এটি এখনও কার্যকর রয়েছে। নতুন করে কিছু না করা পর্যন্ত এটাই বহাল থাকবে। রাজ্য সরকারের ওই নির্দেশিকায় RSS ছাড়াও আনন্দমার্গ ও জামাত-ই-ইসলামির নাম উল্লেখ ছিল। অর্থ দফতরের নির্দেশিকায় এও বলা ছিল যে, কোনও রাজ্য সরকারি কর্মী ওই ৩ সংগঠনের সঙ্গে কোনওভাবে যুক্ত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। সেই নিয়ম কিন্তু বহাল রাখলেন মমতা। কংগ্রেস সূত্রের খবর দেশে কংগ্রেস শাসিত ৩ রাজ্যেও আগেকার নিষেধাজ্ঞা বলার রাখ হতে পারে। এমনকি দেশে তৈরি হওয়া বিজেপি বিরোধী জোট INDIA’র শরিকদল যে সব রাজ্যের ক্ষমতায় আছে সেখানেও এই নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

জঙ্গলমহলে নির্বাচনী প্রচারে আসছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী, মমতার পাশে থাকার বার্তা

‘‌মানুষের জন্য শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করব’‌, নির্বাচন মরশুমে বার্তা মমতার

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে ভবানীপুরে জোরদার প্রচার মমতার

মহিলা সংরক্ষণ ও লোকসভার আসন বৃদ্ধি বিল পাশ করাতে পারল না মোদি সরকার

নন্দীগ্রাম পুনরুদ্ধারে উন্নয়নই শাসক দলের হাতিয়ার

দলকে অস্বস্তিতে ফেলে শতাব্দী-সহ তৃণমূলের মহিলা সাংসদদের নিশানা কল্যাণের

চিন সফরে ভ্লাদিমির পুতিন, যোগ দেবেন এসসিও সম্মেলনে

২৬ দিনে ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ শিবিরে হাজির কোটি মানুষ, আপ্লুত মমতা

লড়াই করেও গুজরাতের কাছে হেরে গেল কেকেআর

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

হেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

[hls_player autoplay="1" fullscreen="1" unmute="0"]