নিজস্ব প্রতিনিধি : শ্রাবণ মাস হল মহাদেবের প্রিয় অত্যন্ত মাস। সারা বছরের তুলনায় এই মাসে অধিক পুণ্য লাভ করা যায় বলে বিশ্বাস করা হয়। এই মাসে শিবের বিশেষ পুজো ও রীতি প্রচলিত রয়েছে।এই মাসে ভোলানাথের আরাধনার পাশাপাশি কিছু নিয়ম পালন করা উচিত। খাবারের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম রয়েছে।তেমনই পুজো অর্চনার ক্ষেত্রেও রয়েছে কিছু নিয়ম।আপনি কী জানেন এইসময় কীভাবে শিবলিঙ্গে বেলপাতা দেওয়া উচিত ? অনেকে আছেন যারা সোজাভাবে বেলপাতা দেন, আবার অনেকে উল্টোভাবে! ভুল হলেই মহাদেবের ক্রোধের মুখে পরতে পারেন!
বিশ্বাস করা হয়,শিবলিঙ্গে বেলপাতা নিবেদন করলে ভোলানাথের আশীর্বাদ পাওয়া যায়। তবে বেলপাতা দেওয়ার সময় নিয়ম ভুল হলে রুষ্ট হন মহাদেব ৷ জেন নিন শিবলিঙ্গে বেলপাতা দেওয়ার সঠিক নিয়ম কী।
নিঁখুত বেলপাতা : বেলপাতা বাছাই করার সময় খেয়াল রাখবেন এর পাতা যেন কাটা বা ছেঁড়া না হয় এবং এতে যেন কোনও প্রকার দাগ না থাকে।
সতেজ পাতা : বেলপাতা নিবেদন করার আগে যেন পাতা সতেজ থাকে। এটি শুকিয়ে যেন না যায়, সেইদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
তিনটি পাতা : ভোলেনাথকে বেলপাতা নিবেদন করার সময় দেখবেন যেন তিনটি পাতা অবশ্যই থাকে। অন্যথায় এটি অসম্পূর্ণ বলে বিবেচিত হবে।
বেলপাতা দেওয়ার নিয়ম : বেলপাতা নিবেদনের আগে জল দিয়ে ধুয়ে ভাল করে পরিষ্কার করতে হবে। তারপর শিবলিঙ্গে জল নিবেদনের পর বেলপাতার মসৃণ অংশ অর্থাৎ সোজা দিকটা শিবলিঙ্গে স্পর্শ করতে হবে। মসৃণ দিক থেকে শিবলিঙ্গে বেলপাতা নিবেদন করা হয়।
বেলপাতায় রামের নাম : শিবের পূজার সময়, আপনি শিবলিঙ্গে ৫, ১১, ২১ সংখ্যায় বেলপাতা অর্পণ করতে পারেন। বেলপাতায় রামের নাম লিখে ভগবান শিবকে নিবেদন করলে ভোলানাথ খুব খুশি হন।
উল্লেখ্য, এই তথ্যগুলি বিশ্বাস অথবা মান্যতা নির্ভর।এটির সত্যতা যাচাই করে নি ‘এই মুহূর্তে’