নিজস্ব প্রতিনিধি : শিব হলেন মহাবিশ্বের অন্যতম প্রাচীনতম দেবতা। বলা হয় তিনিই আদি আবার তিনিই অন্ত। যার কোন শুরু নেই,আবার শেষও নেই। তিনিই হলেন কাল, কালচক্রেরও ঊর্ধে। সাংসারিক মায়া ও জাগতিক বস্তুর উপরে রয়েছেন তিনি। দেবাদিদেব তাঁর চরিত্র অনুযায়ী বহু নামে পরিচিত। কখনো তিনি ভোলানাথ, কখনো বা মহেশ্বর,আবার তিনিই ধ্বংসকর্তা নামে পরিচিত। দেবাদিদেবের আরও একটা নাম জানা আছে কি, তা হল শম্ভু। মহাদেবের উপাসনা করতে ‘ওম নমোঃ শিবায়’ -র পাশাপাশি ‘হর হর মহাদেব’ এবং ‘জয় শিব শম্ভো’ জপ করা হয়। আজ হল সোমবার, মহাদেবের প্রিয় দিন, এইদিনে জেনে নিন কেন শিবের আর এক নাম শম্ভু ?
শম্ভু কথাটি এসেছে সংস্কৃত থেকে। এই শব্দকে ‘শম’ ও ‘ভু’, এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়। ‘শম’ শব্দের অর্থ হল কল্যান এবং ‘ভু’ শব্দের অর্থ হল উৎস। অর্থাৎ শম্ভু শব্দের অর্থ হল কল্যানের উৎস। ভগবান শিব হলেন এই জগৎ সংসারের সকল কল্যানের উৎস।
আরও পড়ুন : কেন স্বামী মহাদেবকে স্তন পান করিয়েছিলেন শ্রীকালী ?
কথায় আছে একটি বেলপাতাতেই অতি সহজেই তুষ্ট হন ভোলানাথ। শিবের আশীর্বাদ পেতে পুজোর উপাচারে অনেক কিছুর প্রয়োজন নেই। মনের ভক্তি থাকলেই প্রসন্ন হন তিনি। এই কারণে শিব হলেন সকল কল্যানের মূল। তাই কল্যানকারী মহাদেবকে ‘শম্ভু’ নামে অভিহিত করেন ভক্তরা।
আরও পড়ুন : কোন ৫ কাজ করলে রেগে যান মহাদেব ?
আবার পৌরানিক কাহিনী অনুযায়ী,শিব গঙ্গার ধারাকে রুখতে নিজের জটার মধ্যে ধারন করেছিলেন। আবার সমুদ্রমন্থনকালে যে কালকূট বিষ উঠেছিল,তাও পান করে সমগ্র জগৎ সংসারকে বাঁচিয়েছিলেন তিনি। এইসমস্ত কারণের জন্য তাঁকে শম্ভু নামে ডাকা হয়।
আরও পড়ুন : জানেন কী মা কালীর পদতলে ভোলানাথ কেন শুয়ে থাকেন ?