আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দুইদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে উত্তর কোরিয়ায় যাচ্ছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন। মঙ্গলবার (১৮ জুন) তিনি পিয়ংইয়ংয়ে পৌঁছোবেন। ২৪ বছর পর রাশিয়ার প্রথম কোনো প্রেসিডেন্টের এই উত্তর কোরিয়া সফর। এর আগে দুই দশক ধরে উত্তর কোরিয়া সফর করে নি কেউই। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের আবহের মধ্যে এই সফর খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকেই। যদিও পুতিনের কার্যালয় আগেই জানিয়েছিল যেকোনো সময় উত্তর কোরিয়া সফর করার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর।
পুতিন আশা করছে যে এই সাক্ষাৎকারে দুই দেশের মধ্যে সামরিক অবস্থান আরও শক্তিশালি হবে। জানা গেছে, উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকের করতে পিয়ংইয়ং যাচ্ছেন পুতিন। ইতিমধ্যেই উত্তর কোরিয়ার রাস্তাগুলো সাজানো শুরু হয়ে গিয়েছে। সেগুলোকে সাজানো হয়েছে রাশিয়ার পতাকা দিয়ে। পিয়ংইয়ং এর একটি ভবনে ব্যানার টাঙানো হয়েছে। এবং তাতে লেখা আছে ‘ আমরা রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। ’
এই সফর নিয়ে পুতিন জানিয়েছেন, পশ্চিমা দেশের নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়া যৌথভাবে পশ্চিমা দেশের নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেন। যদিও তিনি সদ্যই উত্তর কোরিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইউক্রেনের সঙ্গে যু্দ্ধে রাশিয়াকে সমর্থন এবং করার জন্য।এই সফরে পুতিন দুই দিন উত্তর কোরিয়ায় অবস্থান করবেন। এই সফরের পরেই আরও দুইদিনের সফরে ভিয়েতনাম যাবেন রুশ প্রেসিডেন্ট।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ উত্তর কোরিয়ায় সফর করেছিলেন পুতিন ২০০০ সালে। সেইসময় উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন কিম জং ইল। তিনি ছিলেন বতর্মান প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের বাবা। তবে আন্তর্জাতিক রাজনীতির বিশ্লেষকরা মনে করছেন পুতিনের এই সফরে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।