Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

রাজ্যের ৪ বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনায় এগিয়ে তৃণমূল

রাজ্যের ৪ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের গণনা চলছে বেশ দ্রুত গতিতে। আর দেখা যাচ্ছে ৪ কেন্দ্রেই এগিয়ে আছেন তৃণমূলের প্রার্থীরা।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: লোকসভা নির্বাচনের(Loksabha Election 2024) পরে পরেই রাজ্যে আবারও বেজে উঠেছিল ভোটের দামামা। গত ১০ জুলাই ছিল রাজ্যের ৪ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে(Bye Election in 4 Assembly Seats) ভোটগ্রহণের পালা। সেই ৪ কেন্দ্র হল উত্তরবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ(Raiganj) বিধানসভা কেন্দ্র, দক্ষিণবঙ্গের নদিয়া জেলার রানাঘাট দক্ষিণ(Ranaghat Dakshin) বিধানসভা কেন্দ্র, উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাগদা(Bagda) বিধানসভা কেন্দ্র এবং কলকাতার মানিকতলা(Maniktala) বিধানসভা কেন্দ্র। এদিন অর্থাৎ শনিবার ১৩ জুলাই চলছে সেই ৪ বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনার কাজ। এদিন কড়া নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্যে সেই গণনার কাজ শুরু হয়েছে। দেখা যাচ্ছে ৪টি বিধানসভা কেন্দ্রেই প্রথম রাউন্ড গণনা শেষে বিজেপির থেকে এগিয়ে আছে তৃণমূল(TMC)। স্বাভাবিক ভাবেই এই ট্রেন্ডের দৌড়ে উজ্জীবিত জোড়াফুল শিবির। ঠিক ততটাই ম্রিয়মান দেখাচ্ছে গেরুয়া শিবিরকে। এই ট্রেন্ড অব্যাহত থাকলে রাজ্য বিধানসভায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের আসন যেমন বাড়তে চলেছে তেমনি বিরোধী দল বিজেপির আসনও কমতে চলেছে।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এই ৪ বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে মানিকতলা ব্যতীত বাকি ৩ কেন্দ্রেই জিতেছিল বিজেপি(BJP)। রায়গঞ্জে জয়ী হয়েছিলেন কৃষ্ণ কল্যাণী, রানাঘাট দক্ষিণে জিতেছিলেন মুকুটমণি অধিকারী, বাগদায় জয়ী হয়েছিলেন বিশ্বজিৎ দাস। মানিকতলায় জয়ী হয়েছিলেন সাধন পাণ্ডে। সেই ভোটের এক বছরের মধ্যেই মারা যান সাধন পাণ্ডে। কিন্তু একুশের ভোটে তাঁর বিরুদ্ধে লড়াই করা বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ চৌবে একটি মামলা ঠুকেছিলেন কলকাতা হাইকোর্টে যে একুশের ভোটের গণনার সময় মানিকতলায় তাঁকে গণনার সময় কারচুপি করে হারানো হয়েছিল। সাধনবাবুর মারা যাওয়ার পরেও সেই মামলা তিনি চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তাই মানিকতলা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন ঝুলে ছিল ২ বছর ধরে। শেষে সদ্য হয়ে যাওয়া লোকসভা নির্বাচনের সময় সেই মামলা আদালতের নির্দেশে প্রত্যাহার করেন কল্যাণ। তার জেরেই মানিকতলা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের দরজা খুলেছিল।

অন্যদিকে বিজেপির প্রার্থী হিসাবে জয়ের মুখে দেখার পরেও কৃষ্ণ কল্যাণী, বিশ্বজিৎ দাস ও মুকুটমণি অধিকারী তৃণমূলে চলে আসেন। ৩জনই বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হিসাবে ভোটে নামেন। কিন্তু ৩জনই পরাস্ত হন। ওই নির্বাচনে রায়গঞ্জ, রানাঘাট দক্ষিণ ও বাগদায় এগিয়ে ছিল বিজেপি। মানিকতলায় এগিয়ে ছিল তৃণমূল। এবারের উপনির্বাচনে তৃণমূল কৃষ্ণ কল্যাণীকে ফের রায়গঞ্জেই দলের প্রার্থী হিসাবে তুলে ধরে। মুকুটমণিও রানাঘাট দক্ষিণ থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন। তবে বিশ্বজিৎ এবার নিজে থেকেই আর ভোটে দাঁড়াতে চাননি। তাই বাগদায় তৃণমূল প্রার্থী করে দলেরই রাজ্যসাভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের মেয়ে তথা মতুয়াদের ঠাকুরবাড়ির মেয়ে মধুপর্ণা ঠাকুরকে। মানিকতলায় জোড়াফুল থেকে প্রার্থী করা হয় সাধন পাণ্ডের স্ত্রী সুপ্তি পাণ্ডেকে। যেহেতু লোকসভায় রায়গঞ্জ, রানাঘাট দক্ষিণ আর বাগদায় বিজেপি এগিয়ে ছিল, তাই এই ৩ কেন্দ্রে তৃণমূলের লড়াই বেশ কঠিন ছিল।

সকাল সাড়ে ৯টায় প্রাপ্ত তথ্য বলছে রায়গঞ্জে ৩ রাউন্ড গণনার শেষে ১০ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে আছেন তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণী। পিছিয়ে আছেন বিজেপি প্রার্থী মানস কুমার ঘোষ। রানাঘাট দক্ষিণে দ্বিতীয় রাউন্ড গণনা শেষে ২ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী মুকুটমণি অধিকারী। পিছিয়ে বিজেপি প্রার্থী মনোজ কুমার বিশ্বাস। বাগদায় দ্বিতীয় রাউন্ড গণনা শেষে ২ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী মধুপর্ণা ঠাকুর। পিছিয়ে বিজেপি প্রার্থী বিনয় কুমার বিশ্বাস। মানিকতলায় প্রথম রাউন্ড গণনা শেষে ৩ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী সুপ্তি পাণ্ডে। পিছিয়ে বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ চৌবে। সব থেকে বড় কথা রায়গঞ্জ, বাগদা ও রানাঘাট দক্ষিণ কেন্দ্রের গণনায় দেখা যাচ্ছে যে সব এলাকায় লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ভাল ভোট পেয়েছিল, এবারের উপনির্বাচনে সেই সব জায়গায় এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল। অর্থাৎ বিজেপি ব্যর্থ তাঁদের লোকসভা নির্বাচনে প্রাপ্ত লিড ধরে রাখতে। দেখার বিষয় শেষ পর্যন্ত তাঁরা এই ৩ কেন্দ্র ধরে রাখতে পারে কিনা, নাকি ৩ কেন্দ্রই তাঁদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হয় তৃণমূল।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00