নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আরজি কর কাণ্ডের জেরে লাগাতার কর্মবিরতি চালিয়ে যাচ্ছেন সরকারি চিকিৎসকেরা। আর তাতেই ব্যাহত হচ্ছে সরকারী হাসপাতালের পরিষেবা। সেইজন্য মুমূর্ষু রোগীদের ভর্তি হওয়ার জন্য একমাত্র ভরসা বেসরকারী হাসপাতাল। আর তাতেই প্রতিদিন বাড়ছে স্বাস্থ্যসাথীর দৈনিক খরচ। কারণ, বেসরকারি ক্ষেত্রে চিকিৎসার বিপুল খরচ মেটাতে রাজ্যের সিংহভাগ আম জনতার সম্বল স্বাস্থ্যসাথী কার্ড ।
সম্প্রতি নবান্নে জমা পড়েছে স্বাস্থ্যদপ্তরের এই সংক্রান্ত এক রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, টানা ৪০ দিন ধরে চিকিৎসকদের কর্মবিরতির জেরে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে রাজ্যের দৈনিক গড় খরচ বেড়ে হয়েছে ৮ কোটি টাকা। যা আগে ছিল ৬ কোটি ৭৩ লক্ষ। এখান থেকেই স্পষ্ট যে আরজি করের প্রতিবাদের জেরে রাজ্য সরকারের প্রতিদিনের গড় খরচের চাপ বেড়েছে প্রায় ১ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা।
উল্লেখ্য, কর্মবিরতি চললেও রাজ্যের সরকারী হাসপাতালের পরিষেবা স্বাভাবিক থাকবে বলে দাবি করেছিলেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু বেসরকারী হাসপাতালের স্বাস্থ্যসাথীর খরচ বলেছে উল্টো কথা। কারণ, কর্মবিরতির জেরে সরকারী হাসপাতালে মিলছে না পরিষেবা । তাই বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন অসুস্থ রোগীরা। আর তাতেই স্বাস্থ্যসাথীর খাতে খরচ বাড়ছে রাজ্য সরকারের। সম্প্রতি এক তথ্য সামনে এসেছে, সেখানে দেখা গিয়েছে ১০ আগস্টের পর এক এক দিনে স্বাস্থ্যসাথী স্কিমে বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে চিকিৎসার জন্য প্রায় ৯ কোটি টাকা পর্যন্ত দিয়েছে রাজ্য। একদিকে বাংলার একাধিক প্রকল্পের টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্র। আর এই সময় চিকিৎসকদের কর্মবিরতির জেরে রাজ্যের কোষাগারের ওপর পড়ছে অত্যাধিক চাপ।