নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ইভটিজিং হয়নি । ম্যাডামের নির্দেশেই বাবলু যাদবের গাড়ির পিছনে ধাওয়া করছিলাম আমি। একসময় গাড়ির গতি ১০০ কিলোমিটার বেগে পৌছে গিয়েছিল। পুলিশের কাছে সুতন্দ্রার গাড়ির চালক রাজদেও শর্মার স্বীকারোক্তি । তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন,’ প্রথমে সাদা গাড়ি ধাক্কা মেরেছিল । এরপরেই সুতন্দ্রাই বলে গাড়িটিকে ধরতে । তবে গাড়ির গতি বাড়ালেও এগিয়ে গিয়ে সেই গাড়ি থামাতে পারেনি । পরে জাতীয় সড়ক ছেড়ে লোকাল রোডে নেমে পড়ে সাদা গাড়ি। আর সেই গাড়ি পিছনে সজোরে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। ‘
তবে সুতন্দ্রার মা তনুশ্রী তাঁর মেয়ের মৃত্যুতে দুই গাড়ির সবাইকে দায়ী করেন। অন্যদিকে পানাগড়ে ইভটিজিং কাণ্ডে বিহার থেকে গ্রেফতার হয়েছেন বাবলু যাদব। শুক্রবার দুর্গাপুরে আদালতে পেশ করার আগে অভিশপ্ত রাতের ঘটনা তিনি তুলে ধরলেন । বাবুল দাবি করেছেন , ‘ ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। তাই পালিয়ে যাই।’
গত রবিবার রাতে পানাগড়ে গাড়ি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়। বছর সাতাশের ওই তরুণী চন্দননগরের বাসিন্দা। অভিযোগ উঠেছে ‘ইভটিজার’দের হাত থেকে বাঁচতে গিয়ে দ্রুত গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তার ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সুতন্দ্রা প্রাণ হারান। দুর্ঘটনার দিন রাতে সুতন্দ্রার আরও তিন সঙ্গীকে ডেকে পাঠায় কাঁকসা থানার পুলিশ । অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়ে পানাগড়কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত বাবলু যাদব। আর এই নিয়ে এবার মুখ খুললেন সুতন্দ্রার গাড়ির চালক।